কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ঢাকায় গোপনে বিয়ে ও পরবর্তীতে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে গেলে তাকে বাড়িতে প্রবেশ করতে না দিয়ে তালা ঝুলিয়ে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী নারী জানান, প্রায় ছয় মাস আগে ঢাকায় পরিচয়ের সূত্র ধরে দুলাল মিয়ার সঙ্গে তার গোপনে বিয়ে হয়। দুলাল মিয়া ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন এবং তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ের পর থেকে তারা একসঙ্গে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে দুলাল মিয়া তার কাছ থেকে আর্থিক সহায়তাও নেন। বর্তমানে তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, দুলাল মিয়ার আগে থেকেই স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর তিনি গত মঙ্গলবার ফুলবাড়ীতে স্বামীর বাড়িতে যান।
তবে সেখানে পৌঁছালে দুলাল মিয়া বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। পরিবারের সদস্যরাও তাকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেননি। সারাদিন অপেক্ষার পরও কোনো সমাধান না পেয়ে তিনি চরম অনিশ্চয়তায় পড়েন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে রাত দেড়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা করে।
স্থানীয়দের সহায়তায় পরে তাকে একই এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, দুলাল মিয়া তাকে মিথ্যা আশ্বাস ও ভালোবাসার কথা বলে বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তিনি স্বীকৃতি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযুক্ত দুলাল মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
ফুলবাড়ী থানার পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সমাধান না হলে ভুক্তভোগী আইনগত ব্যবস্থা নিলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় ঢাকায় গোপনে বিয়ে ও পরবর্তীতে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী স্বামীর বাড়িতে গেলে তাকে বাড়িতে প্রবেশ করতে না দিয়ে তালা ঝুলিয়ে স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী নারী জানান, প্রায় ছয় মাস আগে ঢাকায় পরিচয়ের সূত্র ধরে দুলাল মিয়ার সঙ্গে তার গোপনে বিয়ে হয়। দুলাল মিয়া ঢাকায় রাজমিস্ত্রীর কাজ করতেন এবং তিনি একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ের পর থেকে তারা একসঙ্গে বসবাস করছিলেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, বিয়ের পর বিভিন্ন সময়ে দুলাল মিয়া তার কাছ থেকে আর্থিক সহায়তাও নেন। বর্তমানে তিনি চার মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
পরবর্তীতে ভুক্তভোগী জানতে পারেন, দুলাল মিয়ার আগে থেকেই স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার পর তিনি গত মঙ্গলবার ফুলবাড়ীতে স্বামীর বাড়িতে যান।
তবে সেখানে পৌঁছালে দুলাল মিয়া বাড়ি থেকে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন ওই নারী। পরিবারের সদস্যরাও তাকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দেননি। সারাদিন অপেক্ষার পরও কোনো সমাধান না পেয়ে তিনি চরম অনিশ্চয়তায় পড়েন।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে তিনি জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন। পরে রাত দেড়টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখার ব্যবস্থা করে।
স্থানীয়দের সহায়তায় পরে তাকে একই এলাকার এক ব্যক্তির বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, দুলাল মিয়া তাকে মিথ্যা আশ্বাস ও ভালোবাসার কথা বলে বিয়ে করেছিলেন। বর্তমানে তিনি স্বীকৃতি ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
অভিযুক্ত দুলাল মিয়ার সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
ফুলবাড়ী থানার পুলিশ জানিয়েছে, বিষয়টি সমাধানের জন্য স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। সমাধান না হলে ভুক্তভোগী আইনগত ব্যবস্থা নিলে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন