নূর জাহান বেগমের মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে তাঁর ছোট ছেলে, বুয়েটের অধ্যাপক এ কে এম আশিকুর রহমান দাবি করেছেন যে তাঁরা মাকে অবহেলা করেননি। তিনি বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর পরিবার এমনিতেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
অধ্যাপক আশিকুর রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘ সময় মাকে নিজের কাছে রেখেছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে তাঁর দেখভাল ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তিনি জানান, ২০২৪ সাল থেকে নূর জাহান বেগম তাঁর মেয়ে ফাতিমা নাসরীনের সঙ্গে থাকছিলেন। তাঁর দাবি, মায়ের মধ্যে অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা অনেক ক্ষেত্রে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণের সঙ্গে মিলে যায়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বোনও স্বামীর মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং বাসার পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিলেন না।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নোংরা ফ্ল্যাটের ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গৃহকর্মী রাখার চেষ্টা করা হলেও তাঁর বোন ও মা বাইরের লোকজনকে বাসায় রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন না। তাই পরিস্থিতি বদলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ৩১ মে তাঁর বোন ফোন করে জানান যে মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে পুলিশ যে মরদেহে পোকা ধরার কথা বলেছে, সেটি তিনি নিজে দেখেননি বলে দাবি করেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে তিনি স্বীকার করেছেন যে নূর জাহান বেগম যে পরিবেশে মারা গেছেন, তা “কিছুটা অস্বাভাবিক” এবং সমালোচনা হতে পারে। তবে যাচাই ছাড়া মিথ্যা তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
নূর জাহান বেগমের মৃত্যু নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মধ্যে তাঁর ছোট ছেলে, বুয়েটের অধ্যাপক এ কে এম আশিকুর রহমান দাবি করেছেন যে তাঁরা মাকে অবহেলা করেননি। তিনি বলেন, মায়ের মৃত্যুর পর পরিবার এমনিতেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ভুল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।
অধ্যাপক আশিকুর রহমানের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি দীর্ঘ সময় মাকে নিজের কাছে রেখেছিলেন এবং বিভিন্ন সময়ে তাঁর দেখভাল ও চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন। তিনি জানান, ২০২৪ সাল থেকে নূর জাহান বেগম তাঁর মেয়ে ফাতিমা নাসরীনের সঙ্গে থাকছিলেন। তাঁর দাবি, মায়ের মধ্যে অতিরিক্ত সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা অনেক ক্ষেত্রে সিজোফ্রেনিয়ার লক্ষণের সঙ্গে মিলে যায়। একই সঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বোনও স্বামীর মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং বাসার পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছিলেন না।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নোংরা ফ্ল্যাটের ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গৃহকর্মী রাখার চেষ্টা করা হলেও তাঁর বোন ও মা বাইরের লোকজনকে বাসায় রাখতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করতেন না। তাই পরিস্থিতি বদলানো কঠিন হয়ে পড়েছিল।
তিনি আরও বলেন, ৩১ মে তাঁর বোন ফোন করে জানান যে মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে পুলিশ যে মরদেহে পোকা ধরার কথা বলেছে, সেটি তিনি নিজে দেখেননি বলে দাবি করেছেন।
ঘটনাটি নিয়ে তিনি স্বীকার করেছেন যে নূর জাহান বেগম যে পরিবেশে মারা গেছেন, তা “কিছুটা অস্বাভাবিক” এবং সমালোচনা হতে পারে। তবে যাচাই ছাড়া মিথ্যা তথ্য প্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন