হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে ইউনিসেফ একাধিকবার সতর্ক করলেও পূর্ববর্তী সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি দাবি করেন, ইউনিসেফ সাতবার রিমাইন্ডার দিলেও তখন ভ্যাকসিন নেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হামের প্রকোপের বিষয়ে ইউনিসেফ সাতবার রিমাইন্ডার দিয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকার ভ্যাকসিন নেয়নি। তারা বেসরকারিভাবে ভ্যাকসিন কিনতে চেয়েছিল। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করি।”
তিনি জানান, সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ২ কোটির বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে বলেও জানান তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, প্রথম ধাপে যেসব ১৮টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে হামের সংক্রমণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা এবং এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং কোনো মাকে যেন সন্তান হারানোর বেদনা সহ্য করতে না হয়, তা নিশ্চিত করা।”তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে হাম প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে ইউনিসেফ একাধিকবার সতর্ক করলেও পূর্ববর্তী সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকারের সময় প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন সংগ্রহ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি দাবি করেন, ইউনিসেফ সাতবার রিমাইন্ডার দিলেও তখন ভ্যাকসিন নেওয়া হয়নি।
মঙ্গলবার কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “হামের প্রকোপের বিষয়ে ইউনিসেফ সাতবার রিমাইন্ডার দিয়েছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তী সরকার ভ্যাকসিন নেয়নি। তারা বেসরকারিভাবে ভ্যাকসিন কিনতে চেয়েছিল। আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করি।”
তিনি জানান, সরকারের উদ্যোগে পরিচালিত টিকাদান কর্মসূচিতে ইতোমধ্যে ২ কোটির বেশি শিশুকে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে। টিকাদান কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ১২২ শতাংশে পৌঁছেছে বলেও জানান তিনি।মন্ত্রী আরও বলেন, প্রথম ধাপে যেসব ১৮টি উপজেলায় বিশেষ টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে বর্তমানে হামের সংক্রমণ প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
হামে আক্রান্ত হয়ে শিশু মৃত্যুর ঘটনা এবং এ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে স্বাধীন তদন্ত চাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “শুধু শাস্তি দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো হামে আক্রান্ত শিশুদের রক্ষা করা এবং কোনো মাকে যেন সন্তান হারানোর বেদনা সহ্য করতে না হয়, তা নিশ্চিত করা।”তিনি বলেন, সরকার বর্তমানে হাম প্রতিরোধে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে এবং টিকাদান কার্যক্রম আরও জোরদার করা হচ্ছে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন