English / বাংলা
Editorial News 24

তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যে ভুল বোঝাবুঝি ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকেই এতে কষ্ট পেয়েছেন, সে কারণে তিনি ওই বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন

বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ, দিলেন ব্যাখ্যা



বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ, দিলেন ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) কোচিং সেন্টারের সঙ্গে তুলনা করে দেওয়া মন্তব্যের জেরে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের পর নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তার বক্তব্যের কিছু অংশ ভুলভাবে উপস্থাপিত ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ববি হাজ্জাজ বলেন, তার ওই মন্তব্য ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত এবং সেটি সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নয়।

পোস্টে তিনি জানান, একটি পডকাস্টে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার সময় তিনি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গবেষণাভিত্তিক ও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে চেয়েছিলেন। তার উদ্দেশ্য কখনোই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, মর্যাদা কিংবা অবদানকে খাটো করা ছিল না।

ববি হাজ্জাজ বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের উচ্চশিক্ষা খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। গবেষণার প্রতি পর্যাপ্ত গুরুত্ব না দেওয়া, রাজনৈতিক প্রভাব, শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন এবং প্লেজারিজমের মতো অনৈতিক একাডেমিক চর্চার অভিযোগ উচ্চশিক্ষার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, পডকাস্টের আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্ত ও অনানুষ্ঠানিক। এটি কোনো গবেষণাভিত্তিক বা নীতিনির্ধারণী আলোচনা ছিল না। আনুষ্ঠানিক পরিসরে বক্তব্য দিলে ভাষা ও উপস্থাপনা আরও কাঠামোবদ্ধ হতো।

ফেসবুক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতি গঠনে অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি চান বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করুক।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে আরও গবেষণানির্ভর, প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, এমন একটি একাডেমিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন যেখানে সততা, মেধা, গবেষণার মান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা সর্বোচ্চ মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং যেখানে প্লেজারিজমসহ কোনো অনৈতিক চর্চার স্থান থাকবে না।

সবশেষে তিনি বলেন, তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যে ভুল বোঝাবুঝি ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকেই এতে কষ্ট পেয়েছেন, সে কারণে তিনি ওই বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে সব ধরনের বিতর্কের অবসান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬


বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন ববি হাজ্জাজ, দিলেন ব্যাখ্যা

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মে ২০২৬

featured Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে (ঢাবি) কোচিং সেন্টারের সঙ্গে তুলনা করে দেওয়া মন্তব্যের জেরে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কের পর নিজের বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, তার বক্তব্যের কিছু অংশ ভুলভাবে উপস্থাপিত ও ব্যাখ্যা করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৯ মে) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে ববি হাজ্জাজ বলেন, তার ওই মন্তব্য ছিল সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত মতামত এবং সেটি সরকারের কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান বা নীতির প্রতিফলন নয়।

পোস্টে তিনি জানান, একটি পডকাস্টে অনানুষ্ঠানিক আলোচনার সময় তিনি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গবেষণাভিত্তিক ও বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলতে চেয়েছিলেন। তার উদ্দেশ্য কখনোই বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য, মর্যাদা কিংবা অবদানকে খাটো করা ছিল না।

ববি হাজ্জাজ বলেন, গত ১৭ বছরে দেশের উচ্চশিক্ষা খাত নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে। গবেষণার প্রতি পর্যাপ্ত গুরুত্ব না দেওয়া, রাজনৈতিক প্রভাব, শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন এবং প্লেজারিজমের মতো অনৈতিক একাডেমিক চর্চার অভিযোগ উচ্চশিক্ষার মানকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, পডকাস্টের আলোচনা ছিল সম্পূর্ণ স্বতঃস্ফূর্ত ও অনানুষ্ঠানিক। এটি কোনো গবেষণাভিত্তিক বা নীতিনির্ধারণী আলোচনা ছিল না। আনুষ্ঠানিক পরিসরে বক্তব্য দিলে ভাষা ও উপস্থাপনা আরও কাঠামোবদ্ধ হতো।

ফেসবুক পোস্টে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও জাতি গঠনে অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি চান বিশ্ববিদ্যালয়টি আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা, উদ্ভাবন ও জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র হিসেবে আরও শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করুক।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতে আরও গবেষণানির্ভর, প্রতিযোগিতামূলক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

ববি হাজ্জাজ বলেন, এমন একটি একাডেমিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন যেখানে সততা, মেধা, গবেষণার মান এবং বুদ্ধিবৃত্তিক স্বাধীনতা সর্বোচ্চ মূল্যবোধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত থাকবে এবং যেখানে প্লেজারিজমসহ কোনো অনৈতিক চর্চার স্থান থাকবে না।

সবশেষে তিনি বলেন, তার বক্তব্যকে কেন্দ্র করে যে ভুল বোঝাবুঝি ও বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে এবং অনেকেই এতে কষ্ট পেয়েছেন, সে কারণে তিনি ওই বক্তব্য সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন। পাশাপাশি এ বিষয়ে সব ধরনের বিতর্কের অবসান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0