সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মন্ত্রিত্ব এখন আর লোভনীয় কোনো বিষয় নয়, বরং এটি অত্যন্ত কঠিন দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, মন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি অর্থনৈতিকভাবে বেশি স্বাবলম্বী ছিলেন, কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
বুধবার (২৭ মে) দুপুরে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা পরিষদের হলরুমে চাল বিতরণ ও অনুদানের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “অনেকে মনে করেন মন্ত্রিত্ব খুব লোভনীয়। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এটি মোটেও সহজ কিছু নয়। সকাল ছয়টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত কাজের চাপ সামলাতে হয়। সংসার চালানোও কঠিন হয়ে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রী হওয়ার আগে আমি আর্থিকভাবে অনেক বেশি স্বচ্ছল ছিলাম। এখন সংসার চালাতে আবার রোগী দেখা শুরু করেছি। সপ্তাহে তিন দিন দুই ঘণ্টা করে রোগী দেখি, যাতে সংসার কিছুটা ভালোভাবে চালানো যায়।”
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “মন্ত্রীত্ব কোনো সোনার হরিণ নয়, সোনার বাটিও নয়। সরকারি বেতনে সংসার চালানো কঠিন।অনুষ্ঠানে তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, “২০২৪ সালের আগস্টের পর অনেকের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এসেছে। দামি পোশাক পরছেন, বিলাসী জীবনযাপন করছেন। তাদেরও উচিত নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা।”
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই বর্তমান সরকারকে নিয়ে কটাক্ষ করার আগে বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে ১০ জনের মধ্যে অনুদানের চেক এবং ৪০০ জনের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়।হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারিছ চৌধুরী, হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ মে ২০২৬
সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, মন্ত্রিত্ব এখন আর লোভনীয় কোনো বিষয় নয়, বরং এটি অত্যন্ত কঠিন দায়িত্ব। তিনি দাবি করেন, মন্ত্রী হওয়ার আগে তিনি অর্থনৈতিকভাবে বেশি স্বাবলম্বী ছিলেন, কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর আর্থিক সংকটে পড়েছেন।
বুধবার (২৭ মে) দুপুরে দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলা পরিষদের হলরুমে চাল বিতরণ ও অনুদানের চেক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, “অনেকে মনে করেন মন্ত্রিত্ব খুব লোভনীয়। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এটি মোটেও সহজ কিছু নয়। সকাল ছয়টা থেকে রাত দুইটা পর্যন্ত কাজের চাপ সামলাতে হয়। সংসার চালানোও কঠিন হয়ে গেছে।”
তিনি আরও বলেন, “মন্ত্রী হওয়ার আগে আমি আর্থিকভাবে অনেক বেশি স্বচ্ছল ছিলাম। এখন সংসার চালাতে আবার রোগী দেখা শুরু করেছি। সপ্তাহে তিন দিন দুই ঘণ্টা করে রোগী দেখি, যাতে সংসার কিছুটা ভালোভাবে চালানো যায়।”
ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “মন্ত্রীত্ব কোনো সোনার হরিণ নয়, সোনার বাটিও নয়। সরকারি বেতনে সংসার চালানো কঠিন।অনুষ্ঠানে তিনি সমালোচকদের উদ্দেশে বলেন, “২০২৪ সালের আগস্টের পর অনেকের জীবনযাত্রায় বড় পরিবর্তন এসেছে। দামি পোশাক পরছেন, বিলাসী জীবনযাপন করছেন। তাদেরও উচিত নিজেদের আয়-ব্যয়ের হিসাব জনগণের সামনে তুলে ধরা।”
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত এবং জনগণের কাছে দায়বদ্ধ। তাই বর্তমান সরকারকে নিয়ে কটাক্ষ করার আগে বাস্তবতা বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
অনুষ্ঠানে ১০ জনের মধ্যে অনুদানের চেক এবং ৪০০ জনের মধ্যে চাল বিতরণ করা হয়।হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) তানজিনা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হারিছ চৌধুরী, হাকিমপুর থানার ওসি জাকির হোসেন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাসুদ রানা এবং স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন