ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়ার এক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (দুপুর আড়াইটার দিকে) তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
নিহত রবিউল ইসলাম নওগাঁর বদলগাছী থানার আধাইপুর গ্রামের খাজাম উদ্দীনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে সকালে রবিউল ইসলাম বগুড়া শহরের জানেসাবা হাউজিং এলাকার এক আত্মীয়ের বাসায় যান। তখন বাসার পুরুষ সদস্যরা বাইরে ছিলেন। ওই সময় পারিবারিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক নারীর সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে তিনি পাশের একটি কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে দরজা ভেঙে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রথমে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ২০ মে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।
পুলিশের ধারণা, পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত জটিলতা থেকে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, রবিউল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বগুড়ায় নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মে ২০২৬
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বগুড়ার এক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (দুপুর আড়াইটার দিকে) তার মৃত্যু হয় বলে জানা গেছে।
নিহত রবিউল ইসলাম নওগাঁর বদলগাছী থানার আধাইপুর গ্রামের খাজাম উদ্দীনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে সকালে রবিউল ইসলাম বগুড়া শহরের জানেসাবা হাউজিং এলাকার এক আত্মীয়ের বাসায় যান। তখন বাসার পুরুষ সদস্যরা বাইরে ছিলেন। ওই সময় পারিবারিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে এক নারীর সঙ্গে তার কথাকাটাকাটি হয়।
এক পর্যায়ে তিনি পাশের একটি কক্ষে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। পরে দরজা ভেঙে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
প্রথমে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরদিন ২০ মে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে পাঁচ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি মারা যান।
পুলিশের ধারণা, পারিবারিক বিরোধ ও ব্যক্তিগত সম্পর্কজনিত জটিলতা থেকে এই আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আতোয়ার রহমান জানান, রবিউল ইসলামের পরিবারের সদস্যরা বর্তমানে ঢাকায় রয়েছেন। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ বগুড়ায় নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন