নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫ জনে পৌঁছেছে। দেশটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনও প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গত বুধবার চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে হঠাৎ করে প্রবল ঢল নামে। প্রচণ্ড স্রোতের সঙ্গে পাহাড়ি পাথর ও বিপুল পরিমাণ কাদা নেমে আসে। এতে অনেক মানুষ পাথর ও কাদার নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান।এদিকে তিব্বতে বন্যার ঘটনায় সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে চীন সরকার। ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮২ জনে।
বন্যার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান মেলেনি। তাদের কেউ জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, বন্যায় বেশ কিছু এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্গম অঞ্চলের অনেক জায়গায় সড়কপথে উদ্ধারকারীরা পৌঁছাতে পারছেন না। কোনো কোনো এলাকায় শুধু হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।
বন্যার স্রোত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে বিশেষজ্ঞরা ঘটনাটিকে ‘পাহাড়ি সুনামি’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। প্রবল স্রোতে ভেসে অনেক মরদেহ নেপালের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছে। ভারত থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আটটি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে।এ ছাড়া নদীর নিম্নাঞ্চল ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও মরদেহ ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
যে এলাকায় এই ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে, সেখানে একটি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পের কাজ চলছিল। নেপালের তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রকল্পের ৯৩৩ জন কর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের বড় সংখ্যা এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধারকাজে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: এএফপি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নেপালে আকস্মিক ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৭৫ জনে পৌঁছেছে। দেশটির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এখনও প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে প্রাণহানির সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গত বুধবার চীনের তিব্বত সীমান্তবর্তী নেপালের রাসুয়া জেলার ভোটেকোশি নদীতে হঠাৎ করে প্রবল ঢল নামে। প্রচণ্ড স্রোতের সঙ্গে পাহাড়ি পাথর ও বিপুল পরিমাণ কাদা নেমে আসে। এতে অনেক মানুষ পাথর ও কাদার নিচে চাপা পড়ে প্রাণ হারান।এদিকে তিব্বতে বন্যার ঘটনায় সাতজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে চীন সরকার। ফলে নেপাল ও তিব্বত মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬৮২ জনে।
বন্যার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধান মেলেনি। তাদের কেউ জীবিত আছেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। দুর্গম ও ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে উদ্ধার অভিযান চালানোও কঠিন হয়ে পড়েছে।
নেপালি সংবাদমাধ্যম কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, বন্যায় বেশ কিছু এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। দুর্গম অঞ্চলের অনেক জায়গায় সড়কপথে উদ্ধারকারীরা পৌঁছাতে পারছেন না। কোনো কোনো এলাকায় শুধু হেলিকপ্টারের মাধ্যমে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।
বন্যার স্রোত এতটাই ভয়াবহ ছিল যে বিশেষজ্ঞরা ঘটনাটিকে ‘পাহাড়ি সুনামি’ হিসেবে বর্ণনা করছেন। প্রবল স্রোতে ভেসে অনেক মরদেহ নেপালের সীমান্ত পেরিয়ে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় চলে গেছে। ভারত থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত আটটি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য পাওয়া গেছে।এ ছাড়া নদীর নিম্নাঞ্চল ও আশপাশের বিভিন্ন এলাকাতেও মরদেহ ভেসে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
যে এলাকায় এই ভয়াবহ বন্যা আঘাত হানে, সেখানে একটি হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পের কাজ চলছিল। নেপালের তথ্য অনুযায়ী, ওই প্রকল্পের ৯৩৩ জন কর্মী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।পরিস্থিতি মোকাবিলায় উদ্ধারকারী দলগুলো দুর্গম এলাকাগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে নিখোঁজ ব্যক্তিদের বড় সংখ্যা এবং দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধারকাজে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।
সূত্র: এএফপি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন