English / বাংলা
Editorial News 24

রাত ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।

রংপুরে ৪ খুন: আটক হওয়ার সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত সিদ্ধার্থের বাবা-ভাই


প্রকাশ : ৩০ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

রংপুরে ৪ খুন: আটক হওয়ার সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত সিদ্ধার্থের বাবা-ভাই


রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর মুচলেকায় ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে বিকেলে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাদের হেফাজতে নেয় ডিবি। তারা হলেন—সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস।রাত ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।তিনি বলেন, চার খুনের মামলার গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত সিদ্ধার্থের বাবা ও বড় ভাইকে এর আগে কয়েকবার ডিবি কার্যালয়ে এসে কথা বলার জন্য বলা হয়েছিল। তবে তারা আসেননি। এ কারণে শনিবার তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দীর্ঘ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।সনাতন চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘তাদের মুচলেকা নিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে নতুন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তারা যেসব তথ্য দিয়েছেন, সেগুলো যাচাই করা হবে। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আবারও তাদের ডাকা হবে।’

এদিকে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় পার্থ দাসকে বাবাসহ একজনের কাঁধে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়।এ বিষয়ে পার্থ দাস বলেন, ডিবি কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করেছেন। বাড়িতে ভয়ে ছোটাছুটি করার সময় পায়ে ও কোমরে আঘাত পাওয়ায় তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। ডিবি কার্যালয়ে তাদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, আইনগত বিভিন্ন বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে—এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে তারা আগে যেসব তথ্য দিয়েছেন, ডিবির কাছেও একই তথ্য জানিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কোনো ধরনের নির্যাতন বা ভয়ভীতি দেখানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, পুলিশ তাদের নিতে এলে তারা ভয় পেয়েছিলেন এবং এ সময় ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় পরে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।


আপনার মতামত লিখুন

Editorial News 24

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬


রংপুরে ৪ খুন: আটক হওয়ার সাড়ে ৩ ঘণ্টা পর মুচলেকায় মুক্ত সিদ্ধার্থের বাবা-ভাই

প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬

featured Image


রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ দাসের বাবা ও বড় ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর মুচলেকায় ছেড়ে দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।শনিবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এর আগে বিকেলে মাছুয়াপাড়ার নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাদের হেফাজতে নেয় ডিবি। তারা হলেন—সিদ্ধার্থ দাসের বাবা বিনয় দাস ও বড় ভাই পার্থ দাস।রাত ১১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র ও উপকমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।তিনি বলেন, চার খুনের মামলার গুরুত্বপূর্ণ অভিযুক্ত সিদ্ধার্থের বাবা ও বড় ভাইকে এর আগে কয়েকবার ডিবি কার্যালয়ে এসে কথা বলার জন্য বলা হয়েছিল। তবে তারা আসেননি। এ কারণে শনিবার তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়। সেখানে দীর্ঘ সময় তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।সনাতন চক্রবর্তী আরও বলেন, ‘তাদের মুচলেকা নিয়ে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে নতুন কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে তারা যেসব তথ্য দিয়েছেন, সেগুলো যাচাই করা হবে। প্রয়োজন হলে পরবর্তী সময়ে আবারও তাদের ডাকা হবে।’

এদিকে ডিবি কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় পার্থ দাসকে বাবাসহ একজনের কাঁধে ভর দিয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়।এ বিষয়ে পার্থ দাস বলেন, ডিবি কর্মকর্তারা তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করেছেন। বাড়িতে ভয়ে ছোটাছুটি করার সময় পায়ে ও কোমরে আঘাত পাওয়ায় তিনি খুঁড়িয়ে হাঁটছেন। ডিবি কার্যালয়ে তাদের হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।সিদ্ধার্থের বাবা বিনয় দাস বলেন, আইনগত বিভিন্ন বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। কীভাবে মৃত্যু হয়েছে এবং ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে—এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের কাছে তারা আগে যেসব তথ্য দিয়েছেন, ডিবির কাছেও একই তথ্য জানিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের সময় কোনো ধরনের নির্যাতন বা ভয়ভীতি দেখানো হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, পুলিশ তাদের নিতে এলে তারা ভয় পেয়েছিলেন এবং এ সময় ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।

প্রসঙ্গত, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় তালাবদ্ধ একটি বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী, মেয়ে ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।এ ঘটনায় পরে মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিহত গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।



Editorial News 24


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
google.com, pub-1718561036151648, DIRECT, f08c47fec0942fa0