নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পর্যন্ত দেশটির পুলিশ ৩৮৯টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে।আকস্মিক বন্যার প্রবল স্রোত ও ভূমিধসে অনেক মানুষ কাদার নিচে চাপা পড়েছেন। এখন উদ্ধারকাজে কাদার স্তর সরিয়ে একের পর এক মরদেহ বের করে আনা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্যে মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৫৯। নতুন করে আরও ৩০টি মরদেহ উদ্ধারের ফলে এ সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯-এ দাঁড়িয়েছে।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন করে বন্যা হলে ঝুঁকিতে পড়তে পারেন—এমন মানুষদেরও নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে হঠাৎ করে রাসুয়ার দিকে প্রবল ঢল নেমে আসে। এতে ত্রিশূলি ও নারায়ণী নদীর পানির স্তর বেড়ে যায় এবং ভোতে কোশি নদীতেও পানির প্রবাহ ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে ভূমিধসের কাদা ও পাথর যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।প্রবল স্রোত পথে থাকা ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নিয়ে যায়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমও কঠিন হয়ে পড়েছে।
নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতেও এই দুর্যোগের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। এর আগে চীনের পক্ষ থেকে তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
নেপালের রাসুয়া জেলায় ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পর মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পর্যন্ত দেশটির পুলিশ ৩৮৯টি মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়েছে।আকস্মিক বন্যার প্রবল স্রোত ও ভূমিধসে অনেক মানুষ কাদার নিচে চাপা পড়েছেন। এখন উদ্ধারকাজে কাদার স্তর সরিয়ে একের পর এক মরদেহ বের করে আনা হচ্ছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে নেপাল পুলিশের দেওয়া তথ্যে মৃতের সংখ্যা ছিল ৩৫৯। নতুন করে আরও ৩০টি মরদেহ উদ্ধারের ফলে এ সংখ্যা বেড়ে ৩৮৯-এ দাঁড়িয়েছে।বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি নতুন করে বন্যা হলে ঝুঁকিতে পড়তে পারেন—এমন মানুষদেরও নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বুধবার সকালে হঠাৎ করে রাসুয়ার দিকে প্রবল ঢল নেমে আসে। এতে ত্রিশূলি ও নারায়ণী নদীর পানির স্তর বেড়ে যায় এবং ভোতে কোশি নদীতেও পানির প্রবাহ ভয়াবহ আকার ধারণ করে। পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে ভূমিধসের কাদা ও পাথর যুক্ত হয়ে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।প্রবল স্রোত পথে থাকা ঘরবাড়ি, সেতু, গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটিসহ বিভিন্ন অবকাঠামো ভাসিয়ে নিয়ে যায়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কারণে দুর্গত এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমও কঠিন হয়ে পড়েছে।
নেপালের পাশাপাশি চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতেও এই দুর্যোগের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। সেখানে অন্তত ৩০০ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানা গেছে। এর আগে চীনের পক্ষ থেকে তিব্বতে তিনজনের মৃত্যুর তথ্য জানানো হয়েছিল।
সূত্র: বিবিসি
 (1500 x 470 px)_20260524_154935_0000.png)
আপনার মতামত লিখুন