ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে নতুন করে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রায় দুই মাস ধরে চলা সংঘাত থামানোর প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে পাকিস্তানে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।
মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ঘোষণা করে। এতে ইরানের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তার অভিযোগে ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার মাধ্যমে বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার কারণে ইরানকে জবাবদিহির আওতায় আনা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ইকোনমিক ফিউরি’ কর্মসূচির আওতায় ইরানের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক ও সহযোগীদের অর্থায়ন বন্ধের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আজ বুধবার পাকিস্তানে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও সেটি নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। ইরানের পক্ষ থেকে এখনো অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি।
এর আগে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পর ট্রাম্প তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ জানান, চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে তিনি প্রস্তুত আছেন। তবে তিনি বলেন, ইরানকে একটি সমন্বিত প্রস্তাব দিতে হবে, তবেই স্থায়ী সমাধানের দিকে অগ্রগতি সম্ভব হবে।
তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা








