Editorial News 24

রিজার্ভ ছাড়াল ৩৫ বিলিয়ন ডলার

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। প্রবাসী আয়ের ধারাবাহিক প্রবাহ ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় স্থিতিশীলতার ফলে এই ইতিবাচক অবস্থানে পৌঁছেছে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম–৬ হিসাব পদ্ধতিতে রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩০ হাজার ৩৬৬ দশমিক ২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। একই সময়ে দেশের মোট (গ্রস) রিজার্ভ হয়েছে ৩৫ হাজার ০৩৮ মিলিয়ন ডলার।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, রিজার্ভ বৃদ্ধির প্রধান কারণ রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি এবং ব্যাংকিং চ্যানেলে ডলার সরবরাহের স্থিতিশীলতা। চলতি এপ্রিল মাসেও প্রবাসী আয়ে ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে প্রবাসী আয় এসেছে ১ হাজার ৭৮৮ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে একদিনেই এসেছে ১৮১ মিলিয়ন ডলার। গত বছরের একই সময়ে (১–১৫ এপ্রিল ২০২৫) এই অঙ্ক ছিল ১ হাজার ৪৭২ মিলিয়ন ডলার, যা থেকে প্রায় ২১ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৯৯৬ মিলিয়ন ডলার, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২০ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসী আয় বাড়ায় ডলারের সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে এবং হুন্ডির ওপর নির্ভরতা কমেছে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে।

এদিকে বাজারে অতিরিক্ত ডলার সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার ক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। ১৬ এপ্রিল চারটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার কেনা হয়েছে, যার কাট-অফ রেট ছিল ১২২ দশমিক ৭৫ টাকা। চলতি এপ্রিল মাসে মোট ক্রয় দাঁড়িয়েছে ১২০ মিলিয়ন ডলার।

সব মিলিয়ে রেমিট্যান্স প্রবাহে ভর করে রিজার্ভ শক্ত অবস্থানে থাকলেও অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, আমদানি ব্যয়, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার কারণে ভবিষ্যতে চাপ তৈরি হতে পারে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন