উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
৪৩০ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে শ্রীলঙ্কা। মাত্র ২৪ রানেই সাজঘরে ফেরেন দুই ব্যাটার। ১৬ বলে ১৮ রান করে আউট হন কামিন্দু মেন্ডিস। অন্যদিকে কোনো বল না খেলেই রানআউট হয়ে মাঠ ছাড়েন অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস।তবে প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলের হাল ধরেন আভিস্কা ফার্নান্দো ও পবন রত্নায়েক। তাদের ব্যাটে গড়ে ওঠে ১৬৬ রানের দুর্দান্ত জুটি। সেঞ্চুরির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেও তিন রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয় আভিস্কাকে। ৮৩ বলে ৯৭ রান করেন তিনি।এরপর পবন রত্নায়েক ও দাসুন শানাকার ব্যাটে জয়ের ভিত আরও মজবুত হয়। চতুর্থ উইকেটে মাত্র ৭৯ বলে ১৩৩ রান যোগ করেন এই দুই ব্যাটার। সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পর ১৩০ রানে থামেন রত্নায়েক। ১০৬ বলের ইনিংসে ১৫টি চার ও তিনটি ছক্কা হাঁকান তিনি। অন্যদিকে মাত্র ৫০ বলে ৯৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন শানাকা, যেখানে ছিল ছয়টি চার ও আটটি ছক্কা।এরপর শায়ান আচার্যেকে সঙ্গে নিয়ে জয়ের আরও কাছে পৌঁছে যায় শ্রীলঙ্কা। তবে শেষ ওভারে ম্যাচে নাটকীয়তা ফেরান ইংলিশ বোলার জশ টাং। ওভারের দ্বিতীয় ও তৃতীয় বলে পরপর দুটি উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে চাপে ফেলে দেন তিনি। একপর্যায়ে শেষ দুই বলে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৬ রান। পঞ্চম বলেই ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন জানিথ লিয়াঙ্গে। মাত্র ২৭ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি।এর আগে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে দারুণ সূচনা পেয়েছিল ইংল্যান্ড। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ৭৪ রান। টম ব্যান্টন ৫০ রান করে আউট হন, আরেক ওপেনার ফেরেন ২৯ রান করে। এরপর জো রুটের ব্যাটে আসে ৬৯ রানের ইনিংস। ৬৬ বলে নিজের ফিফটি পূর্ণ করেন এই ডানহাতি ব্যাটার।পরবর্তী সময়ে উইল জ্যাকসকে সঙ্গে নিয়ে রীতিমতো তাণ্ডব চালান ইংল্যান্ডের অধিনায়ক হ্যারি ব্রুক। মাত্র ৭৭ বলে দুজনের জুটি থেকে আসে ১৮৫ রান। মাত্র ১১৪ বলে ডাবল সেঞ্চুরি করে বিশ্বরেকর্ড গড়েন ব্রুক। শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ১১৬ বলে ২০২ রান করেন তিনি। অন্যদিকে মাত্র ৩০ বলে ৬৬ রান করে অপরাজিত থাকেন জ্যাকস।