উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশকে প্রথমে শাস্তি মনে হলেও পরে বুঝতে পেরেছেন, এর মাধ্যমে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।তাঁর ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে এযাবৎকালের সেরা পরামর্শটি দিয়েছিলেন। তিনি বিনা দ্বিধায় সেই পরামর্শ মেনে নিয়েছিলেন।বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ২৩ মিনিটের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা জানান ইশরাক হোসেন।স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, প্রধানমন্ত্রী তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে সবচেয়ে ভালো পরামর্শটি দিয়েছিলেন, যা তিনি সঙ্গে সঙ্গেই মেনে নেন। প্রথমে বিষয়টি শাস্তি মনে হলেও প্রধানমন্ত্রী আগেই বুঝতে পেরেছিলেন, একটি গণমাধ্যম ও সাধারণ স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী তাঁর বিরুদ্ধে শক্তিশালী ও ক্ষতিকর পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছে।ইশরাকের দাবি, তাঁকে লক্ষ্য করে ধারাবাহিকভাবে নেতিবাচক প্রতিবেদন প্রকাশ ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে চরিত্রহননের পরিকল্পনা করা হয়েছিল। এর মাধ্যমে তাঁকে জনগণের তীব্র সমালোচনার মুখে ফেলার ছকও তৈরি করা হয়েছিল।এ ছাড়া শুভাকাঙ্ক্ষী ও জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি করে তাঁকে রাজনৈতিকভাবে একঘরে করার পরিকল্পনা ছিল বলেও জানান ইশরাক। তাঁর মতে, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হতো, যাতে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের ইতি ঘটতে পারত।ইশরাক আরও জানান, একই চক্র অতীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধেও গুরুতর অন্যায় পরিকল্পনা করেছিল বলে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন।প্রধানমন্ত্রীর প্রতি নিজের আস্থার কথা তুলে ধরে ইশরাক লেখেন, তিনি তারেক রহমানের প্রতি অগাধ বিশ্বাস রাখা একজন কর্মী। আল্লাহর রহমতে তারেক রহমান তাঁকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করেন এবং সব সময় তাঁর জন্য কোনটি ভালো, তা নিয়ে ভাবেন। জীবনে বহুবার তিনি এর প্রমাণ পেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন ইশরাক।নিজের শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একটি কঠিন কাজ শুরু করতে গিয়ে সেখান থেকে উদ্ভূত ভয়াবহ ষড়যন্ত্র থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখতে পেরেছেন। এভাবেই তিনি বড় বিপদ থেকে রক্ষা পেয়েছেন বলে মনে করেন।ইশরাক আরও লেখেন, তিনি কেবল একটি স্ট্যাটাস দেওয়ার জন্য এসব কথা বলছেন না। কয়েক দিন আগে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে যা বলেছিলেন, বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে তা মিলিয়ে দেখছেন এবং বিষয়টি তাঁকে অবাক করছে।স্ট্যাটাসের শেষাংশে দলের ভেতরে সুযোগসন্ধানীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানান ইশরাক। তাঁর দাবি, দলের কেউ আঁতাতের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রমাণিত হলে, অনুমতি নিয়েই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।