উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ছাত্র উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে গুরুতর দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন প্রবাসী কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ও গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর।তিনি দাবি করেছেন, নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে সাবেক ছাত্র উপদেষ্টাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে অন্তত শত কোটি টাকার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া যাবে।শুক্রবার সকালে ডিআরইউ সাগর-রুনি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ, মহানগর দক্ষিণের কর্মীসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব অভিযোগ করেন।নুরুল হক নুর বলেন, শুধু একজন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে নয়, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের ছাত্র উপদেষ্টাদের প্রত্যেকের কর্মকাণ্ড সঠিক ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হলে শত কোটি টাকার দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে।তিনি অভিযোগ করেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর জাতীয় ঐক্য ধরে রেখে রাষ্ট্র পুনর্গঠনের যে সুযোগ তৈরি হয়েছিল, তা কাজে লাগানো হয়নি। এ ব্যর্থতার জন্য তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ও ছাত্র উপদেষ্টাদের ভূমিকার সমালোচনা করেন।নুর বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ঐক্য ও সমর্থন তৈরি হয়েছিল। কিন্তু সেই ঐক্য ধরে রাখা সম্ভব হয়নি।তার অভিযোগ, গণমাধ্যমে আলোচনায় আসা ছাত্র উপদেষ্টারা ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এমনকি বিপ্লবের আড়ালে তারা ফ্যাসিবাদী কর্মকাণ্ডে জড়িয়েছেন এবং বিভিন্ন সুবিধাবাদী গোষ্ঠীর সঙ্গে সমঝোতা করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, তরুণদের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, ছাত্র উপদেষ্টাদের কর্মকাণ্ড তা বাধাগ্রস্ত করেছে। ফলে গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনীতিও প্রত্যাশিত পথে এগোতে পারেনি।নিজের দায়িত্ব পালনের প্রসঙ্গ তুলে নুরুল হক নুর বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি বা অনিয়মের নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি। তিনি দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন।তিনি আরও বলেন, জনগণের ভ্যাট-ট্যাক্সের অর্থে পরিচালিত রাষ্ট্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।