উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
দেশের শেয়ারবাজারে টানা দরপতন অব্যাহত রয়েছে। ধারাবাহিক পতনে বিনিয়োগকারীদের লোকসানও বাড়ছে। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২২ দশমিক ৭১ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫১৫ দশমিক ১৭ পয়েন্টে নেমেছে।চলতি মাসের শুরুতে ডিএসইএক্স ছিল ৫ হাজার ৬৬২ দশমিক ০৯ পয়েন্ট। ছয় কার্যদিবসে সূচক কমেছে ১৪৬ দশমিক ৯২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৫৯ শতাংশ। এ সময়ে বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে।বৃহস্পতিবার লেনদেন শেষে ১০৩টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বেড়েছে। বিপরীতে কমেছে ২৩০টির এবং অপরিবর্তিত ছিল ৫৪টির দাম। দিন শেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৫৪৪ কোটি ৪২ লাখ ৫৭ হাজার টাকা, যা আগের দিনের চেয়ে ২৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা বেশি।এদিন ডিএস-৩০ সূচক ৭ দশমিক ৬২ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৯৫ দশমিক ৩১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসই শরিয়াহ সূচকও ৫ দশমিক ৬ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০৫ দশমিক ৬ পয়েন্টে নেমেছে। মোট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬৯টি লেনদেনে ২১ কোটি ৭৬ লাখের বেশি শেয়ার ও ইউনিট হাতবদল হয়েছে।লেনদেনে সবচেয়ে এগিয়ে ছিল এনভয় টেক্সটাইল। কোম্পানিটির ২০ কোটি ১৭ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এরপর শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ ও এক্সিম ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন ছিল উল্লেখযোগ্য।চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) একই ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। সেখানে লেনদেনে অংশ নেওয়া ১৮২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৯০টির দাম কমেছে, ৬৫টির বেড়েছে এবং ২৭টির অপরিবর্তিত ছিল। সিএসইর সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১ পয়েন্ট কমেছে।বাজার বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ এবং এর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব বিনিয়োগকারীদের মধ্যে বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে। কম দামে শেয়ার কেনার চেষ্টা থাকলেও তা বাজারকে ঘুরে দাঁড় করাতে পারছে না। বৃহস্পতিবার সবচেয়ে বেশি দরপতন হয়েছে সিরামিক খাতে, ৫ দশমিক ৮৭ শতাংশ।বিনিয়োগকারীদের মতে, টানা দরপতনে ছোট বিনিয়োগকারীদের পুঁজি দ্রুত কমে যাচ্ছে। অন্যদিকে একটি ব্রোকারেজ হাউসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনে করেন, বিএসইসির বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও বক্তব্যে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমে যাওয়ায় বিক্রির চাপ আরও বেড়েছে।