উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
বিএনপির নেতা সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের প্রাথমিক সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশন।এরই পরিপ্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল জিয়াউল আহসানকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে গত ৯ আগস্ট সালাহউদ্দিন আহমদকে গুমের অভিযোগে করা মামলায় জিয়াউল আহসানকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেই নির্দেশ অনুযায়ী আজ তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।চলতি বছরের ১৯ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে গুমের ঘটনায় অভিযোগ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। অভিযোগে জিয়াউল আহসানের পাশাপাশি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, সাবেক আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক, ডিএমপির সাবেক কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া এবং পুলিশের বিশেষ শাখার সাবেক প্রধান মনিরুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়।অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাতে রাজধানীর উত্তরার একটি বাসা থেকে সালাহউদ্দিন আহমদকে তুলে নেওয়া হয়। সে সময় তার স্ত্রী হাসিনা আহমদ অভিযোগ করেছিলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে তুলে নিয়ে গেছেন। ওই সময় সালাহউদ্দিন বিএনপির মুখপাত্রের দায়িত্বে ছিলেন।পরে একই বছরের ১১ মে ভারতের মেঘালয়ের শিলংয়ে স্থানীয় পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। ভারতীয় পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শিলংয়ে উদ্ভ্রান্তের মতো ঘোরাঘুরি করার সময় স্থানীয়দের ফোন পেয়ে পুলিশ তাকে আটক করে।২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৬ আগস্ট ভারত সালাহউদ্দিন আহমদকে দেশে ফেরার জন্য ট্রাভেল পাস দেয়। পরে ওই বছরের ১১ আগস্ট তিনি দেশে ফেরেন।