উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে চলতি বছরের শেষ দিকে আবারও বৈঠকে বসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগে সাড়া না দিয়ে উল্টো সামরিক শক্তির প্রদর্শন করেছে পিয়ংইয়ং। দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিবাদে প্রায় ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে উত্তর কোরিয়া।শুক্রবার (২১ আগস্ট) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।ট্রাম্প ও কিমের মধ্যে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ভালো থাকলেও উত্তর কোরিয়া এবারও যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি। ট্রাম্প চলতি বছরের শেষ দিকে চীনে অনুষ্ঠেয় এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা (এপেক) সম্মেলনের সুযোগে কিমের সঙ্গে বৈঠক করতে চান বলে জানা গেছে।আলোচনার পথ তৈরি করতে সম্প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়াও কিছুটা কমিয়েছে ওয়াশিংটন। মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, কোনো পূর্বশর্ত ছাড়াই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র। তবে পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু অস্ত্রমুক্তকরণের লক্ষ্য থেকে সরে আসেনি ওয়াশিংটন।তবে কিম জং উনের প্রভাবশালী বোন কিম ইয়ো জং স্পষ্ট করে দিয়েছেন, দুই দেশের নেতাদের ব্যক্তিগত সুসম্পর্ককে উত্তর কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা বা সামরিক সক্ষমতার ক্ষেত্রে কোনো ছাড় হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।ওয়াশিংটনভিত্তিক স্টিমসন সেন্টারের গবেষক জেনি টাউনের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে বড় পরিবর্তন না এলে এ ধরনের আলোচনা ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া বা দেশটিকে শত্রুভাবাপন্ন রাষ্ট্র হিসেবে দেখার নীতি পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ।তার মতে, রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ায় অর্থনৈতিক সুবিধার জন্য এখন যুক্তরাষ্ট্রের ওপর পিয়ংইয়ংয়ের নির্ভরশীলতাও আগের তুলনায় কমেছে।এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ সামরিক মহড়ার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার উত্তর কোরিয়ার পূর্ব উপকূল থেকে প্রায় ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়।কোরিয়া ইনস্টিটিউট ফর ন্যাশনাল ইউনিফিকেশনের গবেষক হংক মিন মনে করেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের মাধ্যমে উত্তর কোরিয়া আলোচনার দরজা পুরোপুরি বন্ধ করেনি। বরং নিজেদের শর্ত মেনে যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনায় আরও নমনীয় করার চাপ দিচ্ছে পিয়ংইয়ং।সূত্র: রয়টার্স