উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় আশানুরূপ ফলাফল না পাওয়া কিংবা অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। খাতা মূল্যায়নে কোনো ধরনের ভুলত্রুটি ধরা পড়লে তা সংশোধনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন।শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক ফল প্রকাশের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন।শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পরীক্ষায় ভালো করার প্রস্তুতি থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়। বোর্ডের ১৯৯৮ সালের পুরোনো আইন অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের খাতা সরাসরি পরিদর্শনের কোনো সুযোগ ছিল না। কিন্তু বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আইন পরিবর্তন করেছে। ফলে এখন থেকে যারা পুনঃপরীক্ষণের আবেদন করবেন, তাঁদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হবে। খাতা দেখার ক্ষেত্রে কোনো পরীক্ষকের ভুলত্রুটি পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।আবেদন প্রক্রিয়া এবং মূল্যায়ন ব্যবস্থা সম্পর্কে বলতে গিয়ে মন্ত্রী আরও স্পষ্ট করেন যে, এবার পুনঃনিরীক্ষণ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। প্রতিটি আবেদন গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হবে যাতে কোনো শিক্ষার্থী কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।উল্লেখ্য, সারাদেশে একযোগে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। এর মধ্যে সারা দেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী।বিগত বছরের পরিসংখ্যান তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে গড় পাসের হার ছিল ৬৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং মোট জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৩৯ হাজার ৩২ জন শিক্ষার্থী। সেই তুলনায় এবার সার্বিক পাসের হার এবং জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যা উভয়ই কিছুটা কমেছে।