উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকার চান মিঞা হাউজিংয়ে অবস্থিত জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসার কাছে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যা পৌনে আটটার দিকে এই বিস্ফোরণ ঘটে। আচমকা ককটেলের বিকট শব্দে পুরো এলাকায় সাময়িক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ী ও পথচারীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। তবে এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো বড় ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাতটা ৫৭ মিনিটে চান মিঞা হাউজিং এলাকার সাতমসজিদ ও রাহমানিয়া মাদ্রাসার উত্তর পাশের চার নম্বর সড়কে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা এই বিস্ফোরণ ঘটায়। তারা একটি মোটরসাইকেলে করে এসে ককটেলটি নিক্ষেপ করে এবং দ্রুত এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন আরও জানান, খবর পাওয়া মাত্রই মোহাম্মদপুর থানা পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং আলামত সংগ্রহ করে। দুর্বৃত্তদের পরিচয় শনাক্ত করতে এবং তাদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। ওই এলাকার বিভিন্ন সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে।এদিকে এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ফয়সাল বলেন, যে স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে, তা জামিয়া রাহমানিয়া মাদ্রাসা এবং খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকের কার্যালয়ের অত্যন্ত কাছাকাছি। এটি কোনো পরিকল্পিত উসকানি বা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।খেলাফত মজলিসের এই নেতা দ্রুত সময়ের মধ্যে সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনায় জড়িত দুর্বৃত্তদের শনাক্ত করার এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানান। বর্তমানে ঘটনাস্থল ও এর আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।