উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
রাজধানীর উত্তরায় র্যাব-১ সদর দপ্তরে অবস্থিত টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেল বা বহুল আলোচিত ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর তিন বিচারক এবং প্রসিকিউশন টিম। শনিবার সকাল ১১টার দিকে তারা এই গোপন বন্দিশালা সরজমিনে পরিদর্শনে যান। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে এই পরিদর্শন পরিচালনা করা হয়।পরিদর্শনের সময় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদার, সদস্য বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। বিচারকদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের উচ্চপর্যায়ের প্রসিকিউশন টিম ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরাও এই পরিদর্শনে যুক্ত ছিলেন।প্রসিকিউশন টিমের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, শাইখ মাহদী, সহিদুল ইসলাম সরদার এবং তাসমিরুল ইসলাম। গোপন বন্দিশালার স্থাপত্য নকশা, সেখানে বন্দিদের রাখার পরিবেশ এবং বিভিন্ন আলামত পর্যবেক্ষণ করেন তারা।এর আগে গত ২১ জুলাই প্রসিকিউশনের এক আবেদনের ভিত্তিতে গোপন এই বন্দিশালা পরিদর্শনের আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ওই দিন শুনানিকালে চিফ প্রসিকিউটর র্যাব, ডিজিএফআই এবং ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানান।আবেদনে বিগত সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী মতাদর্শের ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে যাওয়া, বলপূর্বক গুম করে রাখা এবং অমানবিক নির্যাতনের নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়। প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে আদালতকে জানানো হয় যে, ভুক্তভোগীদের ওপর চলা নির্যাতনের প্রমাণ সংগ্রহ এবং সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এসব টিএফআই সেল সরাসরি পরিদর্শন করা অত্যন্ত প্রয়োজন। ট্রাইব্যুনাল আবেদনটি মঞ্জুর করে এই পরিদর্শনের দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছিলেন।