উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
বিশ্বকাপের মঞ্চে লিওনেল মেসির আর কিছু প্রমাণ করার নেই। কাতারে অধরা স্বপ্ন পূরণ করে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন করার পরও থামেননি তিনি। ৩৯ বছর বয়সে এসে আরও পরিণত ও প্রভাবশালী এক মেসিকে দেখছে ফুটবল বিশ্ব। আরেকটি বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা সামনে রেখে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের আগে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।রবিবার রাত ১টায় নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের ফাইনালে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। ম্যাচের আগে পুরো দলের সঙ্গে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন মেসি। ছবির সঙ্গে দেওয়া বার্তায় তিনি জানান, ফাইনালের ফল যা-ই হোক, এই আর্জেন্টিনা দল ইতোমধ্যেই ইতিহাসের পাতায় নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে।মেসি লিখেছেন, এত বছরের পথচলায় শুধু শিরোপা জয়ই সবচেয়ে বড় অর্জন নয়। সতীর্থদের সঙ্গে প্রতিদিনের সংগ্রাম, কঠিন সময় পেরিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো, একসঙ্গে স্বপ্ন দেখা এবং প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করাই ছিল সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।তার কথায় ফুটে উঠেছে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের নানা সুখ-দুঃখের স্মৃতি। বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও অসংখ্য হতাশার পর সাফল্যের চূড়ায় ওঠা আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি এবারও দলকে নিয়ে পৌঁছে গেছেন বিশ্বমঞ্চের শেষ লড়াইয়ে।অধিনায়ক হিসেবে দলের প্রতিটি সদস্যের অবদানের কথাও স্মরণ করেছেন মেসি। খেলোয়াড়দের পাশাপাশি কোচিং স্টাফ, চিকিৎসক ও সহায়ক কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, মাঠে যা-ই ঘটুক না কেন, এই দল এমন এক ইতিহাস লিখেছে, যা কখনো মুছে যাবে না।ফাইনালের আগের রাতে তোলা ছবিতে মেসির পাশে ছিলেন প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি ও দলের পুরো প্রতিনিধি দল। পরে অন্য খেলোয়াড়রাও ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে মেসির আবেগঘন বার্তা, যেটিকে অনেকেই সম্ভাব্য বিদায়ের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।এটি মেসির ক্যারিয়ারের তৃতীয় বিশ্বকাপ ফাইনাল। ২০১৪ সালে স্বপ্নভঙ্গ, ২০২২ সালে স্বপ্নপূরণের পর ২০২৬ সালে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন ইতিহাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে। স্পেনকে হারাতে পারলে আর্জেন্টিনা জিতবে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ, আর মেসি পৌঁছে যাবেন কিংবদন্তির আরও উচ্চতায়।এখন অপেক্ষা শুধু শেষ ৯০ মিনিটের।