উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
জুলাইয়ের ঐতিহাসিক ছাত্র-জনতার আন্দোলন ১৭ বছরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের ফল বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।শুক্রবার বিকেলে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় বিনামূল্যে গাছের চারা, গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদের শাহাদাতের মধ্য দিয়ে ১৭ বছরের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটে। সেই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।তিনি বলেন, দেশের স্বাধীনতা বা অর্জনকে যখনই কোনো দল নিজেদের কুক্ষিগত করতে চেয়েছে, শেষ পর্যন্ত তাদের পরাজিত হয়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।মন্ত্রী আরও বলেন, ‘দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেই আমরা যা বলব, তাই হবে—এমনটি কোনোভাবেই মনে করি না। এ দেশের মানুষ যা চায়, তাই হবে। দেশের মানুষের স্বার্থে আমরা সব দল একসঙ্গে কাজ করব।’রাজনৈতিক সহকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বিএনপির ইতিহাস পালিয়ে যাওয়ার বা আত্মসমর্পণের ইতিহাস নয়। শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই দল এবং বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্বে দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম অব্যাহত ছিল। তারেক রহমানও দীর্ঘ ১৭ বছর নির্বাসনে থেকেও দেশের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেছেন। তাই বিএনপির নেতা-কর্মীরা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।‘কৃষিই সমৃদ্ধি’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় স্থানীয় কৃষক ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে ফলদ ও বনজ গাছের চারাও বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী স্থানীয় প্রান্তিক কৃষকদের হাতে উন্নত জাতের ফলদ ও বনজ গাছের চারা এবং বিভিন্ন কৃষি উপকরণ তুলে দেন।