উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের কম উপস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আহমেদ আযম খান।বৃহস্পতিবার দুপুরে জুলাই শহীদ দিবস উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আক্ষেপ প্রকাশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও রংপুর জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে খালি চেয়ার দেখে মন্ত্রী বলেন, তিনি আশা করেছিলেন, আবু সাঈদকে স্মরণ করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিপুল সংখ্যায় উপস্থিত হবেন। কিন্তু অনুষ্ঠানে অর্ধেকের বেশি চেয়ার খালি দেখে তিনি হতাশ হয়েছেন।আহমেদ আযম খান বলেন, ‘আমি ধারণা করেছিলাম, আজকে এই চত্বরে যত গরমই থাকুক না কেন, আবু সাঈদকে স্মরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকারা একাকার হয়ে যাবেন। তিল ধারণের জায়গা থাকবে না। কিন্তু আমি হতাশ হয়েছি। আবু সাঈদের সহপাঠীরা এই আয়োজনকে কেন চমৎকার করে গড়ে তুললেন না? কেন অর্ধেক চেয়ার খালি পড়ে আছে?’তিনি আরও বলেন, ‘ডায়াসে আমরা অনেক চমৎকার বক্তৃতা করি। কিন্তু বক্তৃতার বাস্তবায়ন করি না। বক্তৃতার বাস্তবায়নই এখন সময়ের দাবি।’মন্ত্রী বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তাঁর দাবি, আবু সাঈদ, ওয়াসিম, মুগ্ধ মারুফসহ প্রায় দুই হাজার শহীদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হয়েছে এবং ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা হয়েছে।স্মরণসভায় রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবার রহমান বেলাল, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেজেকা সুলতানা ফেন্সি, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, শহীদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।