উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ টমাস টুখেল। তাঁর দাবি, ইংল্যান্ড কিংবা ফ্রান্স—কোনো দলের খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে আগ্রহী নয়। কারণ, সবাই বিশ্বকাপের ফাইনালে খেলতেই মাঠে নামে।বুধবার সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে ২-১ গোলে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয় ইংল্যান্ডের। অন্যদিকে স্পেনের কাছে ২-০ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ফ্রান্স। ফলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে মিয়ামিতে মুখোমুখি হবে দুই দল।সেমিফাইনালের মতো কঠিন ম্যাচের পর শিরোপার কোনো সম্ভাবনা না থাকা একটি ম্যাচের জন্য খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে প্রস্তুত করা কঠিন বলে মনে করেন টুখেল।আর্জেন্টিনার কাছে হারের পর সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমাদের কিংবা ফ্রান্সের কোনো খেলোয়াড়ই এই ম্যাচ খেলতে চায় না। তারা সবাই ফাইনালে খেলতে চেয়েছিল। বিশ্বকাপ জেতার লক্ষ্যেই সবাই মাঠে নামে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। ফ্রান্সের তুলনায় আমরা এক দিন কম বিশ্রাম পেলেও পেশাদারিত্বের সঙ্গে ম্যাচটি খেলব।’বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠাকে ইংল্যান্ডের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন টুখেল। তিনি বলেন, ‘আরেকটি বিশ্বকাপে অংশ নিতে আমাদের চার বছর অপেক্ষা করতে হবে। সেমিফাইনালে ওঠা অবশ্যই একটি অর্জন। অনেক শক্তিশালী দল তার আগেই বিদায় নিয়েছে। তবে এই মুহূর্তে কেউই এসব শুনতে চায় না, আমিও না। কারণ নিজেদের কাছে আমাদের প্রত্যাশা অনেক বেশি।’আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে থাকার পর পাঁচ ডিফেন্ডারের রক্ষণাত্মক কৌশল নেওয়ায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন টুখেল। অনেকের মতে, এই কৌশলই আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে ফেরার সুযোগ করে দেয়।তবে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই বলে জানিয়েছেন ইংল্যান্ড কোচ। তাঁর ভাষায়, ‘এই মুহূর্তে আমার কোনো আক্ষেপ নেই। দল নিজেদের সবটুকু দিয়েছে এবং আমরা জয়ের খুব কাছাকাছি ছিলাম। পরিস্থিতি বিবেচনায় এটি সম্ভবত আমাদের অন্যতম সেরা ম্যাচ ছিল। দল দুর্দান্ত খেলেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফল নিজেদের পক্ষে আনতে পারিনি।’পদত্যাগের কোনো ইচ্ছা নেই বলেও স্পষ্ট করেছেন টুখেল। তাঁর লক্ষ্য এখন ২০২৮ সালের ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ।তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ পছন্দ না হলেও, ফ্রান্সের বিপক্ষে ম্যাচটিকে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ হিসেবে দেখছেন টুখেল। তিনি বলেন, ‘আমাদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ঘুরে দাঁড়ানো এবং ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখানো। সর্বোচ্চ পর্যায়ের খেলাধুলায় এটাই করতে হয়, আমরাও সেটাই করব।’