উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র নগরী মাশহাদ। ইরাক ও ইরানের বিভিন্ন পবিত্র নগরীতে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠান শেষে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তাকে দাফন করার কথা রয়েছে।বিদায়ী অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে মাশহাদে বিপুল মানুষের সমাগম হয়েছে। শহরজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং বিভিন্ন স্থান থেকে শোকাহত মানুষ সেখানে পৌঁছাচ্ছেন।মাশহাদের গভর্নর হাসান হোসেইনি জানিয়েছেন, দাফন অনুষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষের উপস্থিতি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ইরানের শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক মানুষ লাল পতাকা হাতে মাশহাদের বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নিয়েছেন।এর আগে ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় আয়াতুল্লাহ খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান লাখো মানুষ। ইরাকি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের তথ্য অনুযায়ী, শুধু নাজাফেই ২৩ লাখের বেশি মানুষ শোকানুষ্ঠানে অংশ নেন।ইরাক সীমান্ত থেকে মাশহাদের দূরত্ব প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার হওয়ায় এবং অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে পূর্বনির্ধারিত সকাল ৬টার দাফনের সময় পরিবর্তন করে দুপুর ২টা নির্ধারণ করা হয়েছে।বুধবার বিকেল থেকেই মাশহাদের প্রধান সড়কগুলোতে শোকমিছিল শুরু হয়। বিমানবন্দর, মেট্রো স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো কালো ব্যানারে সজ্জিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে স্লোগান দিতে দেখা যায় শোকাহত জনতাকে।ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল ইরাকে আয়োজিত শোকানুষ্ঠানেও অংশ নেন।