উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিয়েই ইতিহাস গড়েছে কেপ ভার্দে। স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বে ড্র করে টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় দেশটি। সবচেয়ে কম জনসংখ্যার দেশ হিসেবে বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠার কীর্তিও গড়ে তারা।শেষ ৩২-এর ম্যাচে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে দারুণ লড়াই উপহার দেয় কেপ ভার্দে। দুইবার পিছিয়ে পড়েও সমতায় ফিরে ম্যাচকে অতিরিক্ত সময়ে নিয়ে যায় তারা। শেষ পর্যন্ত ৩-২ গোলের লড়াকু পরাজয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও তাদের পারফরম্যান্স প্রশংসা কুড়িয়েছে ফুটবল বিশ্বে।বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফেরার পর ফুটবলারদের বীরোচিত সংবর্ধনা দেওয়া হয়। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্থানে সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে সিক্ত হন খেলোয়াড়রা।সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে গোলরক্ষক ভোজিনহা বলেন, “বিশ্বকাপে আমাদের যাত্রা নিয়ে আমরা গর্বিত। অবশ্যই আরও এগিয়ে যেতে চেয়েছিলাম, তবে এই অর্জন আমাদের জন্য অনেক বড়।”কেপ ভার্দের বিশ্বকাপ যাত্রায় অন্যতম নায়ক ছিলেন গোলরক্ষক ভোজিনহা। স্পেনের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে সাতটি দারুণ সেভ করে দলকে গোলশূন্য ড্র এনে দেন তিনি। এরপর উরুগুয়ের বিপক্ষে ২-২ ড্রয়ের ম্যাচেও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সেভ করেন। সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ের ম্যাচে আরও তিনটি সেভ করে দলের ভরসার প্রতীক হয়ে ওঠেন তিনি।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসেন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে। দল হারলেও একাই আটটি সেভ করে ম্যাচজুড়ে নজর কাড়েন ভোজিনহা। পুরো টুর্নামেন্টে চার ম্যাচে মোট ১৮টি সেভ করে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন এই গোলরক্ষক।কেপ ভার্দের লড়াকু পারফরম্যান্স ও ভোজিনহার অসাধারণ নৈপুণ্য বিশ্বকাপে দেশটির ফুটবলের সম্ভাবনাকে নতুন করে তুলে ধরেছে। সমর্থকদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতের বড় আসরগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে দলটি।