উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে ২০২৬ সালের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। এবার দেশের সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রশ্নফাঁস ও নকল ঠেকাতে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড। এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ১৯ হাজার ৪৭২ জন। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। এছাড়া মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিচ্ছেন ২ লাখ ৮৬৯ জন শিক্ষার্থী। বাংলা প্রথম পত্র দিয়ে শুরু বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হবে এবারের এইচএসসি পরীক্ষা। সারা দেশে ২ হাজার ৯৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১৪৫টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টি রাজধানী ঢাকায়। প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রশ্নপত্র বিতরণ, উত্তরপত্র সংরক্ষণ, ক্যালকুলেটর ব্যবহার, পরীক্ষাকেন্দ্রের শৌচাগার তল্লাশিসহ ৩৫টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সুযোগ নেই। যদি প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটে, তাহলে সারা দেশের ওই দিনের পরীক্ষা স্থগিত করে নতুন প্রশ্নপত্রে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়া হবে। নকলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো কেন্দ্রে নকলের ঘটনা ধরা পড়লে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞদের মত শিক্ষাবিদদের মতে, সব শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ এবং সব বোর্ডে উত্তরপত্র মূল্যায়নে সমমান বজায় রাখাই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। উল্লেখ্য, এবারের লিখিত পরীক্ষা ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত চলবে। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হবে।