উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
ট্টগ্রামের পটিয়ায় পাঁচ বছরের শিশু জায়হানকে অপহরণের পর হত্যার ঘটনায় উদ্ধার হওয়া মুক্তিপণের চিরকুটের লেখাকে কেন্দ্র করে তদন্ত এগিয়ে নিচ্ছে পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, চিরকুটের হাতের লেখাই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যের রহস্য উন্মোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রতিবেশী সাইফুদ্দিন, তাঁর স্ত্রী সানু আকতার ও মেয়ে সাদিয়া সুলতানাকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের কাছ থেকে হত্যার উদ্দেশ্য ও ঘটনার প্রকৃত বিবরণ জানার চেষ্টা করা হবে।গত মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয় শিশু জায়হান। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও তার কোনো সন্ধান মেলেনি। পরদিন বিকেলে জানালা দিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে একটি চিরকুট ফেলে যায় দুর্বৃত্তরা। ওই চিরকুটের সূত্র ধরেই সন্দেহভাজন তিন প্রতিবেশীকে আটক করে পুলিশ।পরে সাদিয়া সুলতানার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁদের বাড়ির পেছনের পরিত্যক্ত বর্জ্যের স্তূপ থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় জায়হানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মরদেহে মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মোহাম্মদ ফরহাদ বলেন, মুক্তিপণের চিরকুটের হাতের লেখার সঙ্গে সাদিয়া সুলতানার হাতের লেখার মিল পাওয়া গেছে। বিভিন্ন নমুনা যাচাই করে এ বিষয়ে পুলিশ প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে। আসামিরাও মৌখিকভাবে কিছু তথ্য স্বীকার করেছেন বলে দাবি পুলিশের।এদিকে মর্মান্তিক এই হত্যাকাণ্ডে এলাকায় শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বাড়িঘর ভাঙচুর করেছেন ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা। পুলিশ বলছে, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হত্যার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের ভূমিকা সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।