উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে লেবাননকে ঘিরে। ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক অগ্রগতি চাইলে ওয়াশিংটনকে নিশ্চিত করতে হবে যে ইসরায়েল লেবাননে হামলা বন্ধ করবে। ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খতিবজাদেহ আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, তেহরান কূটনৈতিক পথেই এগোতে প্রস্তুত। তবে যুদ্ধ বন্ধ হতে হবে সব ফ্রন্টে, বিশেষ করে লেবাননে চলমান ইসরায়েলি সামরিক অভিযান থামাতে হবে। এদিকে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে নতুন একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। এই সমঝোতা যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যস্থতায় হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও বিচ্ছিন্ন হামলা ও গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে। লেবাননে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি হামলায় কয়েক ডজন মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। এসব হামলার জেরে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনাও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সুইজারল্যান্ডে নির্ধারিত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে, কারণ তেহরান মনে করছে যুদ্ধ চলতে থাকলে কূটনৈতিক সমাধান সম্ভব নয়। এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিও জানিয়েছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো দীর্ঘমেয়াদি সমঝোতার অন্যতম শর্ত হচ্ছে লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার এবং সেখানে সামরিক অভিযান বন্ধ করা। তবে ইসরায়েল এই শর্ত মানতে অনাগ্রহী বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা টিকিয়ে রাখতে হলে লেবানন ইস্যুতে দ্রুত অগ্রগতি প্রয়োজন। অন্যথায় সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ও শান্তি প্রচেষ্টা নতুন করে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।