উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া আলোচিত ১৪ দফার সমঝোতা স্মারকে (MoU) যুদ্ধবিরতি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পারমাণবিক কর্মসূচি এবং ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সবচেয়ে আলোচিত অংশ হলো—ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি পরিকল্পনা। চুক্তির খসড়া অনুযায়ী, উভয় পক্ষ সব ধরনের সামরিক সংঘাত বন্ধ করবে এবং পরস্পরের সার্বভৌমত্ব ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করার অঙ্গীকার করবে। পাশাপাশি ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আলোচনা চালানো হবে। ১৪ দফার প্রধান বিষয়গুলো সব ফ্রন্টে তাৎক্ষণিক ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি। উভয় দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান ও অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা। ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যে আলোচনা। ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ ধাপে ধাপে প্রত্যাহার। হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা। ইরানের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের জন্য অন্তত ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা। জাতিসংঘ, আইএইএ এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা ধাপে ধাপে তুলে নেওয়া। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না—এ প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত। আলোচনা চলাকালে নতুন নিষেধাজ্ঞা বা অতিরিক্ত সামরিক মোতায়েন না করা। ইরানি তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানিতে ছাড় দেওয়া। জব্দ বা স্থগিত থাকা ইরানের সম্পদ ও অর্থ ছাড়ের ব্যবস্থা। চুক্তি বাস্তবায়ন তদারকিতে যৌথ পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা। নির্ধারিত শর্ত পূরণের পর চূড়ান্ত আলোচনা শুরু। চূড়ান্ত চুক্তিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বাধ্যতামূলক প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদন। তবে চুক্তিটি এখনও ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সমালোচকদের মতে, ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন পরিকল্পনা, নিষেধাজ্ঞা শিথিলকরণ এবং জব্দকৃত সম্পদ ছাড়ের মতো বিষয়গুলো ইরানকে বড় ধরনের সুবিধা দিতে পারে। অন্যদিকে সমর্থকদের দাবি, এই সমঝোতা মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে।