উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে দলীয় একাদশ নিয়ে রহস্যই বজায় রাখলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক লিটন দাস। মিরপুরে অনুষ্ঠিতব্য সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এসে একাদশ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো ইঙ্গিত দেননি তিনি।মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংবাদ সম্মেলনে লিটন জানান, প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা, উইকেটের ধরন এবং ম্যাচ পরিস্থিতি বিবেচনা করেই চূড়ান্ত একাদশ নির্ধারণ করা হবে।তিনি বলেন, “প্রতিপক্ষের শক্তি-দুর্বলতা, কোন উইকেটে খেলছি এবং উইকেটের আচরণ কেমন হবে—সবকিছু বিবেচনায় নিয়েই একাদশ সাজানো হবে। তিন স্পিনার একসঙ্গে খেলার সম্ভাবনা কম, তবে সেটাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সিদ্ধান্তের জন্য ম্যাচের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।”স্কোয়াডে রিশাদ হোসেন ও নাসুম আহমেদের পাশাপাশি আরও একজন স্পিনার থাকায় একাদশে স্পিন আক্রমণের সমন্বয় নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে অধিনায়কের বক্তব্যে স্পষ্ট, উইকেটের চূড়ান্ত অবস্থা দেখেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।ওয়ানডে সিরিজে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সফলতা পাওয়ার কারণে দলের আত্মবিশ্বাসও বেড়েছে বলে জানান লিটন। তিনি বলেন, শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তিন ম্যাচেই ভালো ক্রিকেট খেলতে পারা দলের জন্য ইতিবাচক দিক।লিটনের ভাষায়, “শুধু সিরিজ জেতাই নয়, আমরা তিন ম্যাচেই ভালো ক্রিকেট খেলেছি। এটা আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তবে টি-টোয়েন্টি সম্পূর্ণ ভিন্ন ফরম্যাট। দুই দলের স্কোয়াডেও পরিবর্তন এসেছে। তারপরও আত্মবিশ্বাসটা আমাদের সঙ্গে আছে।”এদিকে তাসকিন আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমানের দলে ফেরায় বাংলাদেশের পেস আক্রমণ আরও শক্তিশালী হয়েছে। বিষয়টিকে দলের জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অধিনায়ক।তিনি বলেন, “এটা দলের জন্য খুবই ভালো খবর। বেঞ্চের শক্তি বেড়েছে। তাসকিন ও মুস্তাফিজ দুজনই অভিজ্ঞ এবং ম্যাচ জেতানোর সামর্থ্য রাখে। পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই আমরা মাঠে নামছি।”তবে ব্যাটিং বিভাগে আরও উন্নতির সুযোগ দেখছেন লিটন। বিশেষ করে লোয়ার মিডল অর্ডারের ব্যাটারদের কাছ থেকে বড় অবদান প্রত্যাশা করছেন তিনি।বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে, যেকোনো বড় দলের বিপক্ষে জিততে হলে ব্যাটিং ইউনিটের সবাইকে দায়িত্ব নিয়ে পারফর্ম করতে হবে। বিশেষ করে লোয়ার মিডল অর্ডার থেকে কার্যকর অবদান এলে দলের জয়ের সম্ভাবনা আরও বাড়বে।