উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমকে নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। সংসদে দেওয়া তার বক্তব্য এবং নির্বাচনী হলফনামায় উল্লেখিত জন্মতারিখের মধ্যে অসঙ্গতি প্রকাশ পাওয়ার পর বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।সম্প্রতি জাতীয় সংসদে মুক্তিযোদ্ধা-সংক্রান্ত একটি বিলের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম দাবি করেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার পরিবারের অসামান্য অবদান রয়েছে।গত ১৪ জুন দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমার বাবা, আমার দাদা যুদ্ধে শহীদ। আমার আব্বারা (বাবা-চাচা) সাত ভাই, চারজন মুক্তিযোদ্ধা। আমার দাদারা ১৯ জন, ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার পরিবারে ৪৭ জন মুক্তিযোদ্ধা। আমার মা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।”বক্তব্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকেই তার নির্বাচনী হলফনামা ও প্রকাশ্য তথ্য যাচাই করেন। সেখানে দেখা যায়, নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা এবং উন্মুক্ত তথ্যভান্ডার অনুযায়ী হাফেজ আব্দুল মুনতাকিমের জন্ম ১৯৮১ সালের ১০ জানুয়ারি। সংসদে দেওয়া বক্তব্যের শেষ দিকেও তিনি নিজেই ১৯৮১ সালে জন্মগ্রহণের কথা উল্লেখ করেন।এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। অনেকেই জানতে চান, যদি তার পিতা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়ে থাকেন, তাহলে যুদ্ধ শেষ হওয়ার প্রায় ১০ বছর পর ১৯৮১ সালে তার জন্ম কীভাবে সম্ভব হলো।বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা চললেও এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম বা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।