উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
ভারতের নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর নীতি ও কৌশল এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আটকে দেওয়ার ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ ঘটনায় ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় উপ-হাইকমিশনারকে তলব করে তীব্র নিন্দা ও আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ঘটনাটিকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ও ‘দুঃখজনক’ বলে অভিহিত করেন।তিনি বলেন, “এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ নিচ্ছে। বিস্তারিত বিষয় পরে জানানো হবে।”জানা গেছে, ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ)-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের বৈঠকে অংশ নিতে ভারত সফরে গিয়েছিলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। সফরের বিষয়টি আগেই কূটনৈতিক নোট ভারবালের মাধ্যমে ভারত সরকারকে অবহিত করেছিল বাংলাদেশ।এছাড়া তাকে অভ্যর্থনা জানাতে দিল্লি বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ। তবে বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট একটি ‘ওয়াচলিস্ট’-এর কথা উল্লেখ করে তাকে কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখে।কূটনৈতিক সূত্র জানায়, ডা. জাহেদ উর রহমানের কাছে কূটনৈতিক পাসপোর্ট না থাকলেও সার্ক স্টিকারযুক্ত বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট ছিল। পরবর্তীতে উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তাকে প্রবেশের অনুমতি দেয়।তবে ওই ঘটনার পর সফর চালিয়ে না গিয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা। সরাসরি ফ্লাইট না থাকায় তিনি কলম্বো হয়ে ঢাকায় ফেরার যাত্রা শুরু করেন।ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে ভারতীয় উপ-হাইকমিশনারকে তলব করে ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।কূটনৈতিক মহলে ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই ঘটনাকে সংবেদনশীল হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।