উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
ভারত সফরে গিয়ে ইমিগ্রেশন জটিলতায় প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা; প্রবেশের অনুমতি পেলেও দেশে ফেরার সিদ্ধান্তভারতের নয়াদিল্লি বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীর নীতি ও কৌশল এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের আটকে দেওয়ার ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ ও ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।সোমবার (১৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, “এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক ঘটনা। বিষয়টি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। দিনের শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।”জানা গেছে, ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন (আইওআরএ)-এর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের কমিটির ২৮তম বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে গিয়েছিলেন ডা. জাহেদ উর রহমান। দুই দিনব্যাপী এই বৈঠকের আয়োজন করেছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।তবে রোববার সন্ধ্যায় দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ভারতীয় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে কিছু সময়ের জন্য আটকে রাখে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা যায়, নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট একটি ‘ওয়াচলিস্টে’ নাম থাকার কারণে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয়।সূত্র জানিয়েছে, উপদেষ্টার কাছে কূটনৈতিক পাসপোর্ট না থাকলেও তার সাধারণ পাসপোর্টে সার্কভুক্ত দেশের বিশেষ স্টিকার ছিল। এছাড়া সফরের বিষয়টি আগেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেছিল নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশন।এমনকি বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানাতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের হাইকমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহও।পরবর্তীতে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের মাধ্যমে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ডা. জাহেদ উর রহমানকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেয়। তবে ওই ঘটনার পর তিনি সফর চালিয়ে না গিয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।রোববার রাতে দিল্লি থেকে ঢাকায় সরাসরি কোনো ফ্লাইট না থাকায় তিনি প্রথমে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে যান। সেখান থেকে সোমবার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।ঘটনাটি নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে এবং ভারতের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।