উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন হাইকোর্টে জেল আপিল করেছেন।রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আপিল দুটি গ্রহণযোগ্যতার বিষয়ে শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হয়।এর আগে মামলায় ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়ের ডেথ রেফারেন্সসহ সংশ্লিষ্ট নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়েছে।গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় ঘোষণা করেন। রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং বলা হয়, হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এ দণ্ড কার্যকর করতে হবে।রায়ে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না খাতুনকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারীদের প্রদান করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে আসামিদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করে তা বিক্রির মাধ্যমে অর্থ আদায়ের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত আরও উল্লেখ করেন, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের বিধান অনুযায়ী রায় ঘোষণার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করার অধিকার রাখেন।মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান গত ২৫ মে দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।গত ১ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু হয়। পরদিন রাষ্ট্রপক্ষের ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। এরপর ৩ জুন আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আত্মপক্ষ সমর্থনের কার্যক্রম শেষ করা হয়।মামলার তথ্যমতে, গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানা পালিয়ে গেলেও পরে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নাকেও পুলিশ হেফাজতে নেয়।পরবর্তীতে রামিসার বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর দুই আসামিকেই কারাগারে পাঠানো হয়।