উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের বিরুদ্ধে আবারো নতুন করে বড় ধরনের বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার ঘটনা তদন্তে স্বাধীন রাষ্ট্রীয় কমিশনের পরিবর্তে রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত তদন্ত কমিশন গঠনের সরকারি উদ্যোগের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছেন হাজারো মানুষ।স্থানীয় সময় শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় তেল আবিবসহ দেশটির বিভিন্ন প্রধান শহরে এই সরকারবিরোধী বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।রাজনৈতিক তদন্ত কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভতেল আবিবের হাবিমা স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য দেন গাজায় জিম্মি ইয়োরাম মেটজগারের পুত্রবধূ আয়ালা মেটজগার। তিনি অভিযোগ করে বলেন, "সরকার স্বাধীন রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠনের পরিবর্তে রাজনৈতিক স্বার্থে একটি পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন গঠন করতে চাইছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"উল্লেখ্য, সরকারের প্রস্তাবিত নতুন আইন অনুযায়ী, ছয় সদস্যের এই তদন্ত কমিশনে সরকারপক্ষ ও বিরোধী দল থেকে তিনজন করে সদস্য মনোনয়ন দেওয়া হবে। তবে বিরোধী দল যদি অংশ না-ও নেয়, তাহলেও শুধু সরকারপক্ষের সদস্যদের নিয়েই এই কমিশন তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবে।বিরোধী দলের বয়কট ও কনেসেটে বিল পাসের তোড়জোড়ইসরায়েলের বিরোধী দলগুলো ইতিমধ্যে সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, তারা এ ধরনের কোনো রাজনৈতিক কমিশনে অংশ নেবে না। তাদের স্পষ্ট দাবি, ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতা ও গোয়েন্দা গাফিলতি তদন্তে অবশ্যই একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রাষ্ট্রীয় তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে।এদিকে শনিবার রাতে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিতর্কিত এই বিলটি চলতি সপ্তাহেই ইসরায়েলি পার্লামেন্টে (কনেসেট) প্রথম পাঠের (First Reading) জন্য তোলা হতে পারে।"দেশের নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে রাজনৈতিক নেতৃত্বকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।" — এরান লিটম্যান (নোভা মিউজিক ফেস্টিভ্যালে নিহত ওরিয়া লিটম্যানের বাবা)বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে পড়েছে বিক্ষোভবিক্ষোভকারীরা ৭ অক্টোবরের হামলার ঘটনায় সরকারের ব্যর্থ ভূমিকা, চলমান যুদ্ধ পরিচালনা এবং নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠনে অনীহার বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান দেন। তেল আবিব ছাড়াও জেরুজালেম, হাইফা, বিয়ারশেবা ও আফুলাসহ দেশটির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ শহরে একযোগে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে।