উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে নির্মমভাবে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডের (ফাঁসি) আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার আসামিদের উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন চাঞ্চল্যকর এই মামলার রায় ঘোষণা করেন।কড়া নিরাপত্তায় আদালতে আসামিরারায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণ ও এর আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি সাদা পোশাকে তৎপর ছিলেন বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।আদালত সূত্রে জানা যায়:সকাল ৮:৩০ মিনিট: কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে মামলার অন্যতম আসামি স্বপ্না আক্তারকে প্রথম আদালতে নিয়ে আসা হয়।সকাল ৮:৫০ মিনিট:প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানাকে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে প্রিমিজেস আনা হয়।সকাল ১১:০০ মিনিট:হাজতখানা থেকে আসামিদের এজলাসের কাঠগড়ায় তোলার পর বিচারক মাসরুর সালেকীন মামলার রায় পড়া শুরু করেন।আদালতের পর্যবেক্ষণ ও রায়মামলার নথী ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত এই হত্যাকাণ্ডকে অত্যন্ত নৃশংস ও বর্বর হিসেবে উল্লেখ করেন। আট বছরের এক অবুঝ শিশুকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার অপরাধে সোহেল রানা এবং এই জঘন্য অপরাধে সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার দায়ে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার—উভয়কেই সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় কাঠগড়ায় উপস্থিত দুই আসামিকে বেশ উদগ্রীব ও বিষণ্ণ দেখায়।আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পেয়েছে এবং সমাজে অপরাধীদের কাছে একটি কঠোর বার্তা পৌঁছাবে।