উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
ঈদযাত্রায় বাস কাউন্টারে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ না থাকলেও মাঝপথে ওঠা যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।বুধবার সকালে রাজধানীতে বিআরটিএর কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।মন্ত্রী বলেন, “টিকিট কাউন্টারে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি নেওয়ার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এখনো পাইনি। তবে মাঝেমধ্যে আড়ালে অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার ঘটনা ঘটছে। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”তিনি বলেন, অনেক যাত্রী আগে থেকে টিকিট সংগ্রহ করেন না। ছুটি হওয়ার পর হঠাৎ করেই বাস ধরতে রাস্তায় নেমে পড়েন। তখন যেকোনো মূল্যে বাড়ি যেতে চাওয়ার সুযোগে কিছু পরিবহন অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করে।শেখ রবিউল আলম বলেন, “যাত্রীরাও অনেক সময় ভাবেন, ১০০-২০০ টাকা বেশি লাগলেও সমস্যা নেই, শুধু যেন বাড়ি পৌঁছানো যায়। বিশেষ করে বৈরী আবহাওয়ার কারণে এই প্রবণতা আরও বেড়ে যায়।”সড়কের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, কিছুটা চাপ থাকলেও যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। গতকাল যমুনা সেতু দিয়ে ৫৭ হাজারের বেশি যানবাহন পারাপার হয়েছে, যা পরিস্থিতির সক্ষমতারই প্রমাণ।তিনি আরও বলেন, দেশের পরিবহন ব্যবস্থা এখনো প্রয়োজনের তুলনায় পর্যাপ্ত নয়। এ কারণে সরকার দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে।মন্ত্রী জানান, মেট্রোরেল সম্প্রসারণ, নতুন রুট চালু এবং মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রুটভিত্তিক কোম্পানির মাধ্যমে মানসম্মত বাসসেবা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।তিনি বলেন, ঈদের আগে প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক একসঙ্গে ছুটিতে যান। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ায় পরিবহন ব্যবস্থার ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হয়। এর সঙ্গে বৈরী আবহাওয়া যুক্ত হলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে পড়ে।