উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
||
আর মাত্র কয়েক সপ্তাহ পরেই উত্তর আমেরিকায় শুরু হচ্ছে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ—৪৮ দলের অংশগ্রহণে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর। বিশ্বের সেরা তারকাদের লড়াই দেখতে মুখিয়ে আছেন সমর্থকরা। তবে আসর শুরুর আগেই চোট, ব্যর্থতা ও ফর্মহীনতার কারণে বেশ কয়েকজন বড় নাম ছিটকে গেছেন বিশ্বকাপ থেকে, যা ফুটবল বিশ্বে তৈরি করেছে হতাশা।বাছাইপর্বে ব্যর্থতায় যারা নেইবাছাইপর্ব পেরোতে না পারায় অনেক তারকার বিশ্বকাপ স্বপ্ন ভেঙে গেছে।রবার্ট লেভানডভস্কি (পোল্যান্ড): ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপে খেলার আশা থাকলেও পোল্যান্ডের বিদায়ের সঙ্গে শেষ হয়ে যায় তার স্বপ্ন।জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা ও সান্দ্রো তোনালি (ইতালি): আফ্রিকান প্লে-অফে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার কাছে টাইব্রেকারে হেরে টানা তৃতীয়বার বিশ্বকাপে জায়গা করতে ব্যর্থ ইতালি।ভিক্টর ওসিমেন ও আদেমোলা লুকম্যান (নাইজেরিয়া): কঙ্গোর কাছে হেরে বিদায় নেয় নাইজেরিয়া, বড় ধাক্কা আফ্রিকান ফুটবলে।খভিচা কভারাতসখেলিয়া (জর্জিয়া): পিএসজিতে দুর্দান্ত ফর্মে থাকলেও জাতীয় দল বিশ্বকাপে উঠতে পারেনি।ব্রায়ান এমবিউমো (ক্যামেরুন): ডিআর কঙ্গোর কাছে হেরে ছিটকে যায় ক্যামেরুন।জান ওবলাক (স্লোভেনিয়া) ও ডমিনিক সোবোসলাই (হাঙ্গেরি): অধিনায়কেরা থাকলেও দলকে বিশ্বকাপে তুলতে ব্যর্থ হন।চোটে শেষ স্বপ্ন যাদেরক্লাব ফুটবলের ব্যস্ত মৌসুমে গুরুতর ইনজুরিতে পড়ে বিশ্বকাপ হারিয়েছেন একাধিক তারকা।ব্রাজিলের বড় ধাক্কারদ্রিগো: হাঁটুর গুরুতর চোটে দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে।এস্তেভাও: হ্যামস্ট্রিং ইনজুরিতে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যান।এদের মিলিতাও: চোটের কারণে দলে নেই।ইউরোপের তারকারাহুগো একিতিকে (ফ্রান্স): অ্যাকিলিস টেন্ডন ইনজুরিতে দীর্ঘ সময়ের জন্য বাইরে।জাভি সিমন্স (নেদারল্যান্ডস): ACL চোটে বিশ্বকাপ অনিশ্চিত হয়ে যায়।সার্জ ন্যাব্রি (জার্মানি): উরুর চোট।ফেরমিন লোপেজ (স্পেন): পায়ের হাড় ভেঙে ছিটকে যান।জাপানের দুর্ভাগ্যতাকুমি মিনামিনো: লিগামেন্ট ইনজুরি।কাওরু মিতোমা: হ্যামস্ট্রিং সমস্যায় বাইরে।ফর্মের কারণে বাদ পড়া চমকইংল্যান্ড দলে জায়গা পাননি কোল পামার ও ফিল ফোডেন, খারাপ ক্লাব ফর্মের কারণে।ব্রাজিল স্কোয়াডে নেই জোয়াও পেদ্রো ও রিচার্লিসন।শেষ কথা২০২৬ বিশ্বকাপ যেমন নতুন তারকাদের উত্থানের মঞ্চ হতে যাচ্ছে, তেমনি এই পরিচিত মুখগুলোর অনুপস্থিতি ভক্তদের জন্য বড় হতাশা হয়ে থাকবে। ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে তাই আলোচনায় থাকবে না শুধু খেলা, থাকবে “যদি তারা থাকতেন” সেই আক্ষেপও।সূত্র: আল জাজিরা