উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
Rafi, Video editor ||
রুবিওর এই বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা আগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই জানিয়েছিলেন, ওয়াশিংটন একটি ৬০ দিনের বর্ধিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এই চুক্তিতে হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।সূত্রগুলো বলছে, সম্ভাব্য এই সমঝোতায় ইরান হরমুজ প্রণালিতে মাইন সরিয়ে নেবে এবং জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করবে। বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে এবং বন্দরগুলোর অবরোধ তুলে নেবে, যাতে ইরান আবার অবাধে তেল রপ্তানি করতে পারে।প্রস্তাবিত এই শান্তি চুক্তিতে সমঝোতায় ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি থাকবে, যা পরবর্তীতে উভয়পক্ষের সম্মতিতে আরও বাড়ানো যাবে। এই সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে কোনো শুল্ক ছাড়াই জাহাজ চলাচল করতে পারবে। ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার অঙ্গীকার করবে এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার বিষয়ে আলোচনা হবে। এছাড়া লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধের সমাপ্তিও এই চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ।তবে ইরান এখনও এই খসড়া চুক্তির বিস্তারিত বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু নিশ্চিত করেনি। তেহরান শুধু ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা চুক্তির কাছাকাছি রয়েছে।মার্কিন কর্মকর্তারা বলছেন, এটি ট্রাম্পের কাজের বিনিময়ে সুবিধা নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে। অর্থাৎ ইরান যত দ্রুত বাস্তব পদক্ষেপ নেবে, তত দ্রুত তাদের সুবিধা দেওয়া হবে।এদিকে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে এই চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে লেবাননের বিষয়টি নিয়ে তার আপত্তি রয়েছে।বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সমঝোতা সাময়িকভাবে যুদ্ধের বিস্তার ঠেকাতে পারলেও, এটি পারমাণবিক ইস্যুতে ট্রাম্পের দীর্ঘমেয়াদি দাবি পূরণ করবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমিয়ে আনা এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য এই চুক্তিকে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস