ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল আজ। তবে তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম নতুন এই তারিখ নির্ধারণ করেছেন।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ জানান, আদালত আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি সিআইডি’র অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজের পর ফেরার পথে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট রোডে দুষ্কৃতকারীরা ওসমান হাদিকে গুলি করে পালিয়ে যায়। ওই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ১২০(বি)/৩২৬/৩০৭/১০৯/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়।
ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হয়েছিল, তবে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।
এর আগে, ৬ জানুয়ারি গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১১ জন কারাগারে এবং ছয়জন পলাতক। বাদি অসন্তোষ প্রকাশ করলে আদালত ১৫ জানুয়ারি মামলা অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
পলাতক আসামিরা হলেন: প্রধান শুটার ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল/দাউদ, তার সহযোগী আলমগীর হোসেন, মিরপুরের সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফিলিপ স্মাল পিলিপস, মুক্তি আক্তার ও ফয়সালের বোন জেসমিন আক্তার।
কারাগারে থাকা আসামিদের মধ্যে রয়েছেন প্রধান অভিযুক্ত ফয়সালের বাবা হুমায়ুন কবির, মা হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা ও শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ সিপু।
সূত্র: বাসস








