নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, ভোটকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে যাওয়া নিয়ে যা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, তা সংশোধন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভোটার, প্রার্থী এবং তাদের এজেন্টরা মুঠোফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে পারবেন, তবে গোপন কক্ষে ছবি তোলা যাবে না।
সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ইসি সচিব। তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন কমিশন যা বোঝাতে চেয়েছিল, তা সঠিকভাবে বোঝানো যায়নি। তাই ভুল–বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে। আমরা এই পরিপত্র সংশোধন করেছি যাতে কোনো দ্বিধা না থাকে।”
গত রোববার ইসি জানিয়েছিল, ভোটকেন্দ্রের ৪০০ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে ফোন নিয়ে যাওয়া যাবে না। এই ঘোষণার পর বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। না-সংশোধন হলে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করার হুমকিও দিয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
ইসি সচিব জানিয়েছেন, পোলিং এজেন্ট, পোলিং অফিসার ও অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিজাইডিং অফিসারদের কাছে মুঠোফোন থাকবে না। তবে সাংবাদিক এবং আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা মুঠোফোন নিয়ে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন।
এখন পর্যন্ত ভোট-সংক্রান্ত কাজে দেশে ৫৪০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক এসেছেন। এর মধ্যে ৬০ জন ইসির আমন্ত্রণে, ৩৩০ জন আন্তর্জাতিক নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা থেকে এবং ১৫০ জন ৪৫টি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম থেকে এসেছেন। তারা রাজধানীর একটি হোটেলে অবস্থান করছেন।
ভোট গণনার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “ফলাফল ঘোষণায় দেরির কোনও যৌক্তিক কারণ নেই। তবে যতগুলো ব্যালটে ভোট গ্রহণ হবে, সেগুলো গণনা শেষ করতে সময় লাগবে। ভোট গণনায় তিন বা পাঁচ দিন লাগার কোনো আশঙ্কা নেই।”
তিনি আরও জানান, আদালতের নির্দেশে ফরিদপুর-১ আসনের ব্যালট সংশোধন করা হয়েছে এবং বিভিন্ন আসনে আদালতের নির্দেশে পুনরায় ব্যালট ছাপা হয়েছে।








