Editorial News 24

রাজশাহী মেডিকেলে অজ্ঞাত রোগে নারীর মৃত্যু

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

রাজশাহী মেডিকেলে অজ্ঞাত রোগে নারীর মৃত্যু রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞাত রোগে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি, রোগটি কী ছিল। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) মৃত্যুর কারণ শনাক্তে অনুসন্ধান করছে। সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁ জেলার এক নারী ১৪ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ জানুয়ারি তিনি মারা যান। রোগীর স্বজনরা এখনও নিশ্চিত নন, কোন রোগে মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছেন, তবে রোগ নির্ধারণের জন্য আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানান, “আইইডিসিআর নমুনা নিয়ে গেছে। তারা জানাতে পারবেন কী রোগে মৃত্যু হয়েছে।” বছরের এই সময় নিপাহ ভাইরাসের ঝুঁকি থাকে। বাদুড় নিপাহ ভাইরাস বহন করে, বাদুড় খেজুরের রস খেলে ভাইরাস ছড়াতে পারে। কাঁচা রস ও বাদুড়ের খাওয়া ফল না খাওয়ার জন্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে আসছেন। দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিতভাবে নিপাহ সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। নওগাঁয় সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। নিপাহে মৃত্যুহারও বেশি; একশ জন আক্রান্ত হলে ৭০ জনের বেশি মারা যেতে পারে। তবে অতি সম্প্রতি আইইডিসিআর নওগাঁসহ পাঁচ জেলার নমুনা পরীক্ষা করেছে, যেগুলিতে নিপাহ শনাক্ত হয়নি। আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরীন বলেন, “অনুসন্ধান চলছেই। ফলাফল না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব নয়।” নওগাঁ জেলার সিভিল সার্জন আমিনুল ইসলামও জানান, নারীর মৃত্যু সম্পর্কে জানেন, তবে রোগ নির্ধারণে আইইডিসিআরের অনুসন্ধান দল নওগাঁ যাচ্ছেন।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অজ্ঞাত রোগে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও নিশ্চিত করতে পারেনি, রোগটি কী ছিল। রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণাপ্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) মৃত্যুর কারণ শনাক্তে অনুসন্ধান করছে।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নওগাঁ জেলার এক নারী ১৪ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৮ জানুয়ারি তিনি মারা যান। রোগীর স্বজনরা এখনও নিশ্চিত নন, কোন রোগে মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পি কে এম মাসুদ উল ইসলাম মৃত্যুর কথা স্বীকার করেছেন, তবে রোগ নির্ধারণের জন্য আইইডিসিআরের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি জানান, “আইইডিসিআর নমুনা নিয়ে গেছে। তারা জানাতে পারবেন কী রোগে মৃত্যু হয়েছে।”

বছরের এই সময় নিপাহ ভাইরাসের ঝুঁকি থাকে। বাদুড় নিপাহ ভাইরাস বহন করে, বাদুড় খেজুরের রস খেলে ভাইরাস ছড়াতে পারে। কাঁচা রস ও বাদুড়ের খাওয়া ফল না খাওয়ার জন্য জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে আসছেন।

দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিতভাবে নিপাহ সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে। নওগাঁয় সংক্রমণের হার তুলনামূলকভাবে বেশি। নিপাহে মৃত্যুহারও বেশি; একশ জন আক্রান্ত হলে ৭০ জনের বেশি মারা যেতে পারে। তবে অতি সম্প্রতি আইইডিসিআর নওগাঁসহ পাঁচ জেলার নমুনা পরীক্ষা করেছে, যেগুলিতে নিপাহ শনাক্ত হয়নি।

আইইডিসিআরের পরিচালক অধ্যাপক তাহমিনা শিরীন বলেন, “অনুসন্ধান চলছেই। ফলাফল না আসা পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ বলা সম্ভব নয়।” নওগাঁ জেলার সিভিল সার্জন আমিনুল ইসলামও জানান, নারীর মৃত্যু সম্পর্কে জানেন, তবে রোগ নির্ধারণে আইইডিসিআরের অনুসন্ধান দল নওগাঁ যাচ্ছেন।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন