Editorial News 24

ইরানে বিক্ষোভে প্রাণহানি বেড়ে ৩,৪২৮—মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে শত শত মানুষ

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

**ইরানে বিক্ষোভে প্রাণহানি বেড়ে ৩,৪২৮—মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকিতে শত শত মানুষ** ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩ হাজার ৪২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর)’ বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, শত শত বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এখন ইরানের ৩১টি প্রদেশের ১৯০টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা নির্ভুলভাবে জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আইএইচআরের তথ্যমতে, শুধু ৮ থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে অন্তত ৩ হাজার ৩৭৯ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে সংস্থাটি জানায়, নিহতদের বড় একটি অংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে। তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এদিকে কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। তবে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাই সম্ভব হচ্ছে না। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে। আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকা লোকজনকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। রাশত শহরের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আত্মসমর্পণের ইঙ্গিত দেওয়ার পরও একদল তরুণ বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। কারাজ শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মরদেহের সঙ্গে সেলফি তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুর্দি–অধ্যুষিত এলাকায় অঘোষিত সামরিক আইন জারি করে বাড়ি বাড়ি অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে। আইএইচআরের পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেন, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ১৯৮০-এর দশকে যে ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে শাসকগোষ্ঠী আবার সেই পথেই হাঁটছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আরও হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন। নেটব্লকসের তথ্য অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি থেকে ইরানে প্রায় ৯৯ শতাংশ ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। এতে দেশটি কার্যত বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং দমন–পীড়নের প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে। মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত ৩ হাজার ৪২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর)’ বুধবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, শত শত বিক্ষোভকারীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার গুরুতর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ এখন ইরানের ৩১টি প্রদেশের ১৯০টি শহরে ছড়িয়ে পড়েছে। দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা নির্ভুলভাবে জানা কঠিন হয়ে পড়েছে। ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আইএইচআরের তথ্যমতে, শুধু ৮ থেকে ১২ জানুয়ারির মধ্যে অন্তত ৩ হাজার ৩৭৯ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন। ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে সংস্থাটি জানায়, নিহতদের বড় একটি অংশের বয়স ৩০ বছরের নিচে। তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

এদিকে কিছু আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সূত্রের দাবি, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ২০ হাজার পর্যন্ত হতে পারে। তবে ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় এসব তথ্যের স্বাধীন যাচাই সম্ভব হচ্ছে না।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় উঠে এসেছে, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ওপর ভারী অস্ত্র ব্যবহার করছে। আহত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকা লোকজনকে কাছ থেকে গুলি করে হত্যার অভিযোগও রয়েছে। রাশত শহরের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, আত্মসমর্পণের ইঙ্গিত দেওয়ার পরও একদল তরুণ বিক্ষোভকারীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

কারাজ শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মরদেহের সঙ্গে সেলফি তোলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। কুর্দি–অধ্যুষিত এলাকায় অঘোষিত সামরিক আইন জারি করে বাড়ি বাড়ি অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানানো হয়েছে।

আইএইচআরের পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম বলেন, ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ১৯৮০-এর দশকে যে ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে শাসকগোষ্ঠী আবার সেই পথেই হাঁটছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আরও হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।

নেটব্লকসের তথ্য অনুযায়ী, ৮ জানুয়ারি থেকে ইরানে প্রায় ৯৯ শতাংশ ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রয়েছে। এতে দেশটি কার্যত বহির্বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে এবং দমন–পীড়নের প্রকৃত চিত্র পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।

মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন