Editorial News 24

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ঊর্ধ্বমুখী

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও ঊর্ধ্বমুখী বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৩ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩,৭৮৫ দশমিক ০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে নিট রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২৯,১৮৮ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার। এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৩,১৮০ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট রিজার্ভ ছিল ২৮,৫১৪ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলার। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে উভয় হিসাবেই রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে। প্রসঙ্গত, আইএমএফের বিপিএম-৬ মানদণ্ড অনুসারেই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ গণনা করা হয়। মোট গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে পরিমাণ থাকে, সেটিই নিট রিজার্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই হিসাব পদ্ধতিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড ধরা হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর ঋণছাড়ের কারণে রিজার্ভ পরিস্থিতি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রিজার্ভের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও বৃদ্ধি পেয়ে ৩৩ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বুধবার (৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৩,৭৮৫ দশমিক ০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) নির্ধারিত হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুসারে নিট রিজার্ভের পরিমাণ এখন ২৯,১৮৮ দশমিক ৯৬ মিলিয়ন ডলার।

এর আগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৩,১৮০ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নিট রিজার্ভ ছিল ২৮,৫১৪ দশমিক ৭২ মিলিয়ন ডলার। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে উভয় হিসাবেই রিজার্ভের উল্লেখযোগ্য উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে।

প্রসঙ্গত, আইএমএফের বিপিএম-৬ মানদণ্ড অনুসারেই নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ গণনা করা হয়। মোট গ্রস রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় ও অন্যান্য বাধ্যবাধকতা বাদ দিলে যে পরিমাণ থাকে, সেটিই নিট রিজার্ভ হিসেবে বিবেচিত হয়। এই হিসাব পদ্ধতিকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানদণ্ড ধরা হয়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধি, রপ্তানি আয় ইতিবাচক থাকা এবং বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগীর ঋণছাড়ের কারণে রিজার্ভ পরিস্থিতি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, রিজার্ভের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন