Editorial News 24

হাদি হত্যার নির্দেশদাতার অবস্থান জানা গেল

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী) বর্তমানে কলকাতায় আত্মগোপনে রয়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাপ্পী কলকাতার রাজারহাট, ওয়েস্ট বেড়াবেড়ি, মেঠোপাড়া এলাকার ঝনঝন গলির চারতলা একটি বিল্ডিংয়ের প্রথম তলার এ-থ্রি ফ্ল্যাটে লুকিয়ে আছেন। ওই ফ্ল্যাটে তার সঙ্গে রয়েছেন আরও চার থেকে পাঁচজন আওয়ামী লীগের কর্মী। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে বাপ্পী এই ঠিকানায় অবস্থান করছেন। সরেজমিনে গেলে তিনি গা ঢাকা দেন। ফ্ল্যাট শেয়ার করা দলীয় কর্মী শেরেবাংলা থানা এলাকার যুবলীগ নেতা শফিক বলেন, “তাজুল এ মুহূর্তে ফ্ল্যাটে নেই। নম্বর দিয়ে যান, ফোন করব। আমাদের বিরুদ্ধে হাদি হত্যা মামলার কোনো মামলা নেই, বাপ্পীর বিরুদ্ধে আছে, তবে সেটা মিথ্যা।” এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, হাদির হত্যাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ দুবাই নয়, ভারতের কোথাও অবস্থান করছেন। সম্প্রতি ফয়সালের দুটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি দাবি করেছেন, তিনি দুবাইয়ে রয়েছেন। তবে ডিবি প্রধান নিশ্চিত করেছেন, ভিডিও সঠিক হলেও তার অবস্থান দুবাই নয়, বরং তিনি ভারতে আছেন। হাদি হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ৫ জন পলাতক। পলাতকরা হলেন— হত্যাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ মোটরসাইকেল চালক আলমগীর শেখ তাদের পালাতে সহায়তা করা মানব পাচারকারী ফিলিফ স্নাল হত্যার নির্দেশদাতা তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী ফয়সালের বোন জেসমিন ডিবি প্রধান বলেন, “তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী হাদি হত্যার নির্দেশদাতা ও মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তদন্তে চিহ্নিত হয়েছেন। যদি আরও কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।” উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় দুই যুবক মোটরসাইকেলে এসে শরিফ ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির হত্যা মামলার মূল পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মিরপুর এলাকার সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাজুল ইসলাম চৌধুরী (বাপ্পী) বর্তমানে কলকাতায় আত্মগোপনে রয়েছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাপ্পী কলকাতার রাজারহাট, ওয়েস্ট বেড়াবেড়ি, মেঠোপাড়া এলাকার ঝনঝন গলির চারতলা একটি বিল্ডিংয়ের প্রথম তলার এ-থ্রি ফ্ল্যাটে লুকিয়ে আছেন। ওই ফ্ল্যাটে তার সঙ্গে রয়েছেন আরও চার থেকে পাঁচজন আওয়ামী লীগের কর্মী। স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, প্রায় এক বছর ধরে বাপ্পী এই ঠিকানায় অবস্থান করছেন। সরেজমিনে গেলে তিনি গা ঢাকা দেন।

ফ্ল্যাট শেয়ার করা দলীয় কর্মী শেরেবাংলা থানা এলাকার যুবলীগ নেতা শফিক বলেন, “তাজুল এ মুহূর্তে ফ্ল্যাটে নেই। নম্বর দিয়ে যান, ফোন করব। আমাদের বিরুদ্ধে হাদি হত্যা মামলার কোনো মামলা নেই, বাপ্পীর বিরুদ্ধে আছে, তবে সেটা মিথ্যা।”

এর আগে মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ডিবি প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানান, হাদির হত্যাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ দুবাই নয়, ভারতের কোথাও অবস্থান করছেন। সম্প্রতি ফয়সালের দুটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি দাবি করেছেন, তিনি দুবাইয়ে রয়েছেন। তবে ডিবি প্রধান নিশ্চিত করেছেন, ভিডিও সঠিক হলেও তার অবস্থান দুবাই নয়, বরং তিনি ভারতে আছেন।

হাদি হত্যাকাণ্ডে এখন পর্যন্ত ১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, ৫ জন পলাতক। পলাতকরা হলেন—

  • হত্যাকারী ফয়সাল করিম মাসুদ
  • মোটরসাইকেল চালক আলমগীর শেখ
  • তাদের পালাতে সহায়তা করা মানব পাচারকারী ফিলিফ স্নাল
  • হত্যার নির্দেশদাতা তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী
  • ফয়সালের বোন জেসমিন

ডিবি প্রধান বলেন, “তাজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পী হাদি হত্যার নির্দেশদাতা ও মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে তদন্তে চিহ্নিত হয়েছেন। যদি আরও কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়, তাহলে সম্পূরক চার্জশিট দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর পল্টনের বিজয়নগর এলাকায় দুই যুবক মোটরসাইকেলে এসে শরিফ ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলেও পরে পরিবারের সিদ্ধান্তে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়, যেখানে ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

সূত্র: চ্যানেল টোয়েন্টিফোর

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন