জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে প্রায় ৬৫ শতাংশ ভোট পড়েছে। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক জুলফিকার মাহমুদ। একই সঙ্গে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট গণনা শুরুর ঘোষণা দেন।
ভোট গণনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম জানান, প্রথমে ব্যালট পেপারগুলো ম্যানুয়ালি স্ক্রিনিং করা হবে। ব্যালটে ক্রস চিহ্নের পরিবর্তে অন্য কোনো চিহ্ন ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে। কোনো প্রার্থীর নামের পাশে ক্রস ছাড়া ভিন্ন চিহ্ন থাকলে সংশ্লিষ্ট পদের ভোটটি বাতিল বলে গণ্য হবে।
এর আগে সকাল ৯টায় ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯টি কেন্দ্রের ১৭৮টি বুথে শিক্ষার্থীরা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। নির্ধারিত সময় শেষে কয়েকটি বিভাগে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও অপেক্ষমাণ শিক্ষার্থীদের ভোট দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়।
ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পর সব কেন্দ্র থেকে ব্যালট বাক্সগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটরিয়ামে স্থাপিত নিয়ন্ত্রণকক্ষে আনা হয়। গণনার পুরো কার্যক্রম এলইডি স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করেছে নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি পদে ১৫৭ জন এবং একমাত্র ছাত্রী হলের সংসদের ১৩টি পদে ৩৩ জনসহ মোট ৩৪টি পদের বিপরীতে ১৯০ জনকে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল।
এবারের জকসু নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ১৬ হাজার ৬৬৫ জন। চারটি প্যানেল থেকে প্রার্থীরা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন—ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’; ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’; বাম জোট সমর্থিত ‘মওলানা ভাসানী ব্রিগেড’ এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ জবিয়ান’। পাশাপাশি স্বতন্ত্রভাবেও বেশ কয়েকজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোর মধ্যে ভিপি পদে ১২ জন, জিএস পদে ৯ জন এবং এজিএস পদে ৮ জন প্রার্থী লড়ছেন








