নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে এক ব্যবসায়ীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের সুলতানপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের পরিচয় জানা যায়নি।
নিহত ব্যবসায়ীর নাম শরৎ চক্রবর্তী ওরফে মণি (৪০)। তিনি শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের উত্তর সাধারচর গ্রামের মোহন চক্রবর্তীর ছেলে। শরৎ পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর বাজারে পৈতৃক মুদিদোকান পরিচালনার পাশাপাশি এক্সকাভেটর (খননযন্ত্র) ভাড়ার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সুলতানপুর গ্রামে শরৎ চক্রবর্তীর আরেকটি বাড়ি রয়েছে, যেখানে তিনি খরগোশ পালন করতেন। সোমবার রাতে দোকান বন্ধ করে তিনি ওই বাড়িতে ফিরছিলেন। বাড়ির ফটকের সামনে পৌঁছামাত্রই অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাঁর মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
শরতের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে স্বজনরা হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, শরৎকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তাঁর মাথার পেছনে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গভীর ক্ষত ছিল এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন বলেন, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।








