১৯৯৯ সালে হুগো চাভেজ প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে দুই দেশের সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে। চাভেজ মার্কিন আগ্রাসনের বিরোধিতা করতেন এবং কিউবা ও ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়েছিলেন। ২০০২ সালে চাভেজের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান চেষ্টা ব্যর্থ হলে, তিনি অভিযোগ করেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা ছিল।
রিপাবলিকান পার্টির কট্টর নেতাদের কাছে ভেনেজুয়েলার সমাজতান্ত্রিক নীতি দেশটিকে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাভাবিক শত্রু বানিয়েছে। চাভেজ এবং পরবর্তীতে মাদুরোর শাসনামলে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও বিরোধীদের দমন আরও তিক্ত সম্পর্ক সৃষ্টি করেছে। ২০১৯ সালে ট্রাম্প প্রশাসন মাদুরোকে অবৈধ ঘোষণা করে হুয়ান গুয়াইদোকে অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের নির্বাচনে মাদুরোর বিরুদ্ধে কারচুপি অভিযোগ ওঠে, বিরোধী প্রার্থী এডমুন্ডো গঞ্জালেস জয়ী হন বলেও জানা যায়, তবে মাদুরো ক্ষমতা ধরে রাখেন।
ডিসেম্বরের শুরুতে ট্রাম্প প্রশাসন ‘ট্রাম্প করোলারি’ নীতি প্রকাশ করে, যেখানে বলা হয়—পশ্চিম গোলার্ধের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামরিক ক্ষেত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণে থাকা উচিত এবং প্রয়োজন হলে মার্কিন সামরিক বাহিনী খনিজ সম্পদ আহরণেও ব্যবহার করা যাবে।








