Editorial News 24

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার প্রমাণ, প্রধান সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন

🔔 নতুন তথ্য ও খবর পেতে এখনই আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হোন।

বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আওয়ামী লীগের জড়িত থাকার প্রমাণ, প্রধান সমন্বয়কারী তাপস: কমিশন বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্যান্য সদস্যরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন। কমিশনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, ড. এম. আকবর আলী, এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে শিক্ষকরা। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে ছিল। কমিশনের কাজের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন হয়েছে এবং জাতি তা স্মরণ রাখবে।” কমিশন প্রধান ফজলুর রহমান জানান, তদন্তে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখা হয়েছে। ১৬ বছর আগের এই ঘটনার অনেক আলামত ধ্বংস হলেও, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করে সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল এবং প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। স্থানীয় আওয়ামী লীগও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পেছনে। কমিশন আরও জানায়, দায় নিরূপণ করা হয়েছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেকে সেনাপ্রধান পর্যন্ত। পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতাও এই ঘটনায় চোখে পড়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় কিছু মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অপেশাদার। প্রতিবেদন শেষে কমিশন বেশ কিছু সুপারিশ করেছে যাতে ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীতে এমন ঘটনা এড়ানো যায় এবং নিহতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও স্বরাষ্ট্র সচিবও উপস্থিত ছিলেন।
Picture of Desk Reporter

Desk Reporter

বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গঠিত জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে জমা দিয়েছে। রবিবার (৩০ নভেম্বর) কমিশনের প্রধান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান ও অন্যান্য সদস্যরা রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদন হস্তান্তর করেন।

কমিশনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন মেজর জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর কবির তালুকদার (অব.), ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাইদুর রহমান বীর প্রতীক (অব.), মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, ড. এম. আকবর আলী, এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে শিক্ষকরা।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “বিডিআর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জাতি দীর্ঘদিন ধরে অন্ধকারে ছিল। কমিশনের কাজের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন হয়েছে এবং জাতি তা স্মরণ রাখবে।”

কমিশন প্রধান ফজলুর রহমান জানান, তদন্তে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব বজায় রাখা হয়েছে। ১৬ বছর আগের এই ঘটনার অনেক আলামত ধ্বংস হলেও, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণ সংগ্রহ করে সত্য উদঘাটনের চেষ্টা করা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত ছিল এবং প্রধান সমন্বয়ক হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন তৎকালীন সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নূর তাপস। স্থানীয় আওয়ামী লীগও হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত ছিল। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ‘গ্রিন সিগন্যাল’ ছিল এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হওয়ার পেছনে।

কমিশন আরও জানায়, দায় নিরূপণ করা হয়েছে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী থেকে সেনাপ্রধান পর্যন্ত। পুলিশ, র্যাব ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ব্যর্থতাও এই ঘটনায় চোখে পড়েছে। হত্যাকাণ্ডের সময় কিছু মিডিয়ার ভূমিকা ছিল অপেশাদার।

প্রতিবেদন শেষে কমিশন বেশ কিছু সুপারিশ করেছে যাতে ভবিষ্যতে সশস্ত্র বাহিনীতে এমন ঘটনা এড়ানো যায় এবং নিহতদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়। বৈঠকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ও স্বরাষ্ট্র সচিবও উপস্থিত ছিলেন।

জোরালোভাবে সুপারিশকৃত -

সাম্প্রতিক পোস্ট -

বিজ্ঞাপন

বিশেষ সংবাদ নিয়ে আরও পড়ুন-

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি নিয়ে গভীরতর ধারণার জন্য আরও পড়ুন-

🌟 আমাদের সাথে যুক্ত থাকতে এখনই সাবস্ক্রাইব করুন